📌 বাংলাদেশে এলপিজি আমদানি বেড়েছে এবং চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। সরকার অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার হুমকি দিয়েছে
বাংলাদেশে এলপিজি সরবরাহের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারি নির্দেশনা জারি করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। সংগঠনটি জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণ এলপিজি আমদানি হয়েছে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকটের কোনো সুযোগ নেই। জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নির্দেশে জেলা প্রশাসকরা এলপিজি সরবরাহ নজরদারি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত আগস্টে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এবং সেপ্টেম্বরে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে বাংলাদেশে
- 📌 বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে এলপিজি বিক্রি বা মজুত করা আইনের লঙ্ঘন
- 📌 অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে
- 📌 লোয়াব সদস্য কোম্পানি ও বিক্রেতাদেরকে বিইআরসি-নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে বলেছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার লোয়াবের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত আগস্টে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এবং সেপ্টেম্বরে ১ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। এই পরিমাণ আমদানি দেশের চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকটের কোনো সুযোগ নেই।
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ গত ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন এলপিজি সরবরাহের নজরদারি করতে। লোয়াবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি করেন বা নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করেন, তবে তা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকার দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। লোয়াব সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদেরকে অবিলম্বে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, সাধারণ ভোক্তার অধিকার সুরক্ষায় এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
"পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও যদি কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি করেন এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করেন, তবে তা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, লোয়াব সদস্য কোম্পানি ও বিক্রেতারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন (আগস্ট), ১ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!