📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলডিসি-উত্তরণে মেধাস্বত্ব আইনের চ্যালেঞ্জ: ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন কার্যকর আইনি ব্যবস্থা

এলডিসি-উত্তরণে মেধাস্বত্ব আইনের চ্যালেঞ্জ: ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন কার্যকর আইনি ব্যবস্থা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব আইনের কার্যকর প্রয়োগে ব্যবসায়ীরা চাপ দিচ্ছেন। ওষুধ, প্রযুক্তি ও কৃষি খাতে ট্রিপস প্লাস চুক্তির কারণে পণ্য দামে ২ থেকে ৫ গুণ বৃদ্ধির আশঙ্কা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা চেম্বারের আয়োজিত আলোচনায় মেধাস্বত্ব আইনের দ্রুত কার্যকরীকরণ ও প্রশিক্ষিত জনবলের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব অধিকার (আইপিআর) সুরক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও শিল্প খাতে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা ব্যবসায় খরচ ও পণ্য দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর আইনি ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার ঢাকার মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আয়োজিত আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এলডিসি-পরবর্তী সময়ে ওষুধের দাম ২ থেকে ৫ গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে ট্রিপস প্লাস চুক্তির কারণে
  • 📌 মেধাস্বত্ব আইন থাকলেও কাঠামোগত দীর্ঘসূত্রতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতা রয়েছে
  • 📌 ঢাকা চেম্বার দাবি করেছে: আইপি ট্রাইব্যুনাল চালু, ডিজিটাল ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন ও সচেতনতা বৃদ্ধি
  • 📌 ইআরডি সচিব বলেছেন: তিন বছরের মধ্যে প্রথম ২৪ মাসে প্রস্তুতি ও কমপ্লায়েন্স সম্পন্ন হবে
  • 📌 ডিজিটাল পাইরেসি বাড়ছে; প্রকৃত স্বত্বাধিকারীদের ক্ষতি হচ্ছে
  • 📌 বিজিএমইএ মেধাস্বত্ব সেন্টার অব এক্সিলেন্স স্থাপন করেছে তৈরি পোশাক খাতের জন্য

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের পর মেধাস্বত্ব অধিকার (আইপিআর) সুরক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও শিল্প খাতে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা ব্যবসায় খরচ ও পণ্য দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর আইনি ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ সোমবার ঢাকার মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আয়োজিত আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, দেশে মেধাস্বত্ব আইন থাকলেও কাঠামোগত দীর্ঘসূত্রতা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতা, সক্ষমতার অভাব ও প্রয়োজনীয় নীতিমালার অভাবে ব্যবসায় খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষক ও ওয়াইপো একাডেমির সাবেক পরামর্শক মোহাম্মদ আতাউল করিম বলেন, এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ এতদিন পেটেন্ট ছাড় উপভোগ করে সস্তায় জীবনরক্ষাকারী জেনেরিক ওষুধ তৈরি করতে পেরেছে। তবে ট্রিপস প্লাস চুক্তির আওতায় পেটেন্ট করা নতুন ওষুধ বাজারে এলে জেনেরিক ওষুধের তুলনায় তার দাম গড়ে ২ থেকে ৫ গুণ বা তারও বেশি হতে পারে।

তাসকীন আহমেদ দাবি করেছেন, একটি আধুনিক ও কার্যকর মেধাস্বত্ব অধিকার কার্যালয় স্থাপন করা দরকার। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রামে আইপি ট্রাইব্যুনাল চালু করা, ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনে স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ এবং বিশেষ করে এসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জানতে চায় যে বাংলাদেশ কেবল সময় বাড়ানোর সুপারিশ করবে না, বরং নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ রয়েছে। তিনি বলেন, তিন বছরের মধ্যে প্রথম ২৪ মাসে প্রস্তুতি, কমপ্লায়েন্স ও প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংশোধন সম্পন্ন করা হবে। বাকি ছয় মাস রাখা হয়েছে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য।

পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শুধু জাতীয় স্বার্থ হিসাব করলেই চলবে না। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বজায় রাখতে বৈশ্বিক মানদণ্ড ও প্র্যাকটিসের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ আইনের সমতা রক্ষা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদেশি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের পছন্দ ও শর্তকে প্রাধান্য না দিলে ভবিষ্যতে রপ্তানি খাত বাধার মুখে পড়তে পারে।

বিজিএমইএ মহাসচিব মেজর জেনারেল (অব.) মো. শাহেদুল ইসলাম বলেন, এলডিসি-উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের নিজস্ব মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ ও উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা সহায়তা প্রদান জরুরি। তিনি জানান, বিজিএমইএ ইতিমধ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স স্থাপন করেছে, যেখানে তৈরি পোশাক খাতে নতুন পণ্যের ডিজাইন ও মেধাস্বত্ব নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের উপমহাব্যবস্থাপক ফায়েজ আহমেদ বলেন, ওষুধ খাতে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে দেশীয় বাজারে আন্তর্জাতিকভাবে মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ করলে ওষুধের দাম বেশ বাড়বে, ফলে দেশের জনগণ ভুক্তভোগী হবে। তিনি বিষয়টির দিকে নজর দিতে বলেছেন।

"এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ এতদিন পেটেন্ট ছাড় উপভোগ করে সস্তায় জীবনরক্ষাকারী জেনেরিক ওষুধ তৈরি করতে পেরেছে। তবে ট্রিপস প্লাস চুক্তির আওতায় পেটেন্ট করা নতুন ওষুধ বাজারে এলে জেনেরিক ওষুধের তুলনায় তার দাম গড়ে ২ থেকে ৫ গুণ বা তারও বেশি হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মতিঝিল), চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী (ইআরডি সচিব), তাসকীন আহমেদ (ঢাকা চেম্বার সভাপতি), মোহাম্মদ আতাউল করিম (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক), মেজর জেনারেল (অব.) মো. শাহেদুল ইসলাম (বিজিএমইএ মহাসচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-৫ গুণ (ওষুধের দাম বৃদ্ধি), ২৪ মাস (প্রস্তুতি সময়সীমা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖