📌 রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া সহজতর করেছে সরকার। সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও শিল্প যন্ত্রপাতি ও লবণ আমদানির নিয়ম সংশোধন করা হয়েছে
রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানির সময়সূচীকে আরো দ্রুতগতিতে চালানোর লক্ষ্যে সরকার আমদানি নীতি সংশোধন করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত রোববার জারি করা সংশোধিত আদেশে সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আলাদা অনুমতি নেওয়ার শর্ত বাতিল করেছে। এতে শিল্পকারখানাগুলো কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত বাধা মুক্ত হবে এবং সময়সূচীতে উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি আর লাগবে না — ব্যবসায়ীদের জন্য প্রক্রিয়া সহজতর
- 📌 শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আইআরসি ছাড়াই মূলধনি যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি করতে পারবে
- 📌 বিমা পলিসি খালাসের জন্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অনলাইনে ইলেকট্রনিকভাবে জমা দিতে হবে
- 📌 লবণ আমদানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত প্রয়োজন ও আগের ব্যবহারের ভিত্তিতে
📰 বিস্তারিত
পোশাক শিল্পের প্রধান কাঁচামাল সুতা ও কাপড়ের আমদানিতে অতিরিক্ত অনুমতি নেওয়ার শর্ত ছিলো আগের আমদানি নীতি আদেশে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের আপত্তির পর এই শর্ত বাতিল করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন সিদ্ধান্তে শিল্পকারখানাগুলো সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে না। এতে উৎপাদন ও রপ্তানির সময়সূচীতে আরো দ্রুতগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আমদানি নীতি আদেশের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আইআরসি (আমদানি নিবন্ধন সনদ) ছাড়াই মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, যন্ত্রপাতি সচল রাখতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে আইআরসি দেখানোর বাধ্যবাধকতাও বাতিল করা হয়েছে। এতে নতুন শিল্প স্থাপন ও যন্ত্রপাতি সচল রাখার প্রক্রিয়া আরো সহজতর হবে।
বিমা পলিসি সংক্রান্ত নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত আদেশে বলা হয়েছে, সাধারণ বীমা করপোরেশন, বাংলাদেশি বিমা কোম্পানি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদেশি বিমা কোম্পানির দেওয়া কভার নোট ও বিমা পলিসি পণ্য খালাসের সময় কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অনলাইনে ইলেকট্রনিকভাবে জমা দিতে হবে। এতে প্রক্রিয়া ডিজিটালায়ন ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়াও লবণ আমদানির ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম করা হয়েছে। বড় লাইসেন্সধারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান কত পরিমাণ লবণ আমদানি করতে পারবে, তা নির্ধারণ করা হবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত বার্ষিক প্রয়োজন ও প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে। এতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত আমদানির সুযোগ কমবে এবং সম্পদ ব্যবহারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।
"এই সিদ্ধান্তগুলি শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন ও রপ্তানির সময়সূচীকে আরো দ্রুতগতিতে চালানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এতে শিল্পের বিকাশে সহায়তা হবে এবং রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরো মজবুত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যবসায়ীদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (আমদানি নীতি আদেশ সংশোধন করা হয়েছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!