📌 দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কৃষক ময়েজ উদ্দিন গ্রীষ্মকালীন হাইব্রিড শিম চাষে সাফল্য পেয়েছেন। ২০ শতক জমিতে চাষ করে তিনি ৬৫-৭০ হাজার টাকার শিম বিক্রির আশা করছেন। প্রকল্পের সহযোগিতায় এলাকার অন্যান্য কৃষকও শিম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার সিট আলোকডিহি গ্রামের কৃষক ময়েজ উদ্দিন গ্রীষ্মকালীন শিম চাষে সাফল্যের নতুন রেকর্ড গড়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় হাইব্রিড আর্লি-৪৫ জাতের শিম চাষ করে তিনি ২০ শতক জমিতে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকার শিম বিক্রির সম্ভাবনা দেখাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ময়েজ উদ্দিনের ২০ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন হাইব্রিড শিম চাষে সাফল্য
- 📌 ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচে চাষ করে ময়েজ উদ্দিন ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকার শিম বিক্রির আশা করছেন
- 📌 বর্তমানে প্রতি কেজি শিম ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ময়েজের জন্য ৩৫ থেকে ৪২ হাজার টাকা লাভের সম্ভাবনা তৈরি করেছে
- 📌 এলাকার অন্যান্য কৃষকও ময়েজের উদাহরণে গ্রীষ্মকালীন শিম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন
- 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেছেন, জলবায়ু ও মৌসুমভেদে ফসলের বৈচিত্র্য আনার লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে উৎসাহিত করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
ময়েজ উদ্দিনের ২০ শতক জমিতে চাষ করা হাইব্রিড আর্লি-৪৫ জাতের শিম এখন ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে। কৃষক ময়েজ উদ্দিন জানান, তিনি প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষের চিন্তা থেকে এই উদ্যোগ নেন। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও প্রকল্পের সহযোগিতায় তিনি এই চাষ শুরু করেন।
ময়েজ উদ্দিনের শিম চাষের সাফল্য এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। কৃষক কায়েসসহ আরও কয়েকজন কৃষক এই মৌসুমে শিম চাষ করেছেন। উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল বিন আমিন বলেন, ময়েজ উদ্দিনের শিমখেতে নিয়মিত পরিচর্যা ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হাইব্রিড আর্লি-৪৫ জাতটি গ্রীষ্মকালীন সময়ে চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় কৃষকের ভালো ফলন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ময়েজ উদ্দিনের শিমখেতে বর্তমানে প্রতি কেজি শিম ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, ‘২০ শতক জমিতে শিম চাষে এ পর্যন্ত তাঁর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বর্তমান ফলনের ধারাবাহিকতায় প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করার আশা করছেন তিনি। এতে তাঁর প্রায় ৩৫ থেকে ৪২ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, জলবায়ু ও মৌসুমভেদে ফসলের বৈচিত্র্য আনা এবং একই জমিতে অধিকতর লাভজনক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত জাত সম্পর্কে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
"২০ শতক জমিতে শিম চাষে এ পর্যন্ত আমার প্রায় ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বর্তমান ফলনের ধারাবাহিকতায় প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করার আশা করছি। এতে আমার প্রায় ৩৫ থেকে ৪২ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা, সিট আলোকডিহি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ময়েজ উদ্দিন, মমিনুল বিন আমিন, ইয়াসমিন আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ শতক জমি, ২৮-৩০ হাজার টাকা খরচ, ৬৫-৭০ হাজার টাকা বিক্রি সম্ভাবনা, প্রতি কেজি ১১০-১২০ টাকা দাম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!