📌 রাজশাহীর পবা উপজেলায় চালু হয়েছে 'পবা সার ডটকম' নামে ডিজিটাল সার ব্যবস্থা। এতে কৃষকরা অনলাইনে সার ডিলারের মজুত, বিক্রি তথ্য দেখতে পারবেন এবং সার কেনার হিসাব সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও সার সংকট ও অতিরিক্ত সার কেনা রোধে চার স্তরের নজরদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
রাজশাহীর পবা উপজেলায় কৃষকদের সার কেনার সুবিধা বৃদ্ধি এবং সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'পবা সার ডটকম' চালু হয়েছে। এ ব্যবস্থায় কৃষকরা অনলাইনে দেখতে পারবেন কোনো ডিলারের কাছে কত পরিমাণ সার মজুত রয়েছে এবং তাদের সার কেনার হিসাবও সংরক্ষিত থাকবে। এ উদ্যোগের উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর পবা উপজেলায় 'পবা সার ডটকম' নামে ডিজিটাল সার ব্যবস্থা চালু হয়েছে, যেখানে সার ডিলারের মজুত, বিক্রি ও বরাদ্দের তথ্য দেখা যাবে
- 📌 কৃষকরা জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সার কিনলে তাদের কেনার হিসাব ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে
- 📌 ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসামসহ সারগুলির পরিমাণ দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্য হিসাব করা যাবে
- 📌 প্রশাসনের ড্যাশবোর্ডে ডিলারের মজুত ও বিক্রির তথ্য থাকায় 'সার নেই' বলে মিথ্যা তথ্য দেওয়া যাচাই করা যাবে
- 📌 চার স্তরের নজরদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, ১০ জন ট্যাগ কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রশাসন
- 📌 কৃষকরা ডিলারভিত্তিক সার মজুত ও দাম দেখতে পারবেন, অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং ছবি সংযুক্ত করতে পারবেন
- 📌 পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হওয়া এই ব্যবস্থা সফল হলে রাজশাহী জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও প্রসারিত হবে
- 📌 রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী বলেছেন, এলাকার কৃষকদের সংখ্যা, জমির পরিমাণ ও ফসলের ধরন অনুযায়ী সারের চাহিদা আগে থেকে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর পবা উপজেলায় 'পবা সার ডটকম' নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু হয়েছে, যা কৃষকদের সার কেনার সুবিধা বৃদ্ধি এবং সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে কাজ করবে। এই প্ল্যাটফর্মে উপজেলার সকল সার ডিলারের সার বরাদ্দ, মজুত, বিক্রি ও অবশিষ্টের তথ্য দেখা যাবে। কৃষকরা জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সার কিনলে তাদের কেনার তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে, ফলে তারা ডিলারের কাছ থেকে কত সার কিনেছেন তা জানতে পারবেন।
এই প্ল্যাটফর্মে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসামসহ বিভিন্ন সারের পরিমাণ দিলে নির্ধারিত মূল্যে মোট দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা যাবে। প্রশাসনের ড্যাশবোর্ডে ডিলারের মজুত ও বিক্রির তথ্য থাকায়, মজুত থাকা সত্ত্বেও 'সার নেই' বলে মিথ্যা তথ্য দেওয়া যাচাই করা যাবে। এ ব্যবস্থায় চার স্তরের নজরদারি রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষ কোনো লগইন ছাড়াই ডিলারভিত্তিক সার মজুত ও দাম দেখতে পারবেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে ডিলারের মজুত, মূল্যতালিকা, বিক্রয় মূল্য, রসিদ, লাইসেন্স ও বরাদ্দপত্র যাচাই করবেন। তাদের পরিদর্শনের স্থান জিপিএসের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকবে। কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও ১০ জন ট্যাগ কর্মকর্তা তাদের কাজ তদারকি করবেন। সর্বশেষে উপজেলা প্রশাসন কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে।
ওয়েবসাইটে কৃষকদের অভিযোগ জানানোর সুযোগও রয়েছে। সার না দেওয়া, ওজনে কম দেওয়া, রসিদ না দেওয়া বা বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ছবি সংযুক্ত করা যাবে। ইউনিয়নভিত্তিক কোনো ডিলারের কাছে কত সার মজুত রয়েছে, সেটিও দেখা যাবে। পবার ইউএনও মো. ইবনুল আবেদীন বলেছেন, এটি বর্তমানে পাইলট ভিত্তিতে চালু হয়েছে এবং ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে নতুন সুবিধা যুক্ত করা হবে।
"শুধু ডিলারের মজুত নয়, কোন এলাকায় কত কৃষক, তাঁদের জমির পরিমাণ, ফসল ও প্রয়োজনীয় সারের তথ্যও ডিজিটাল ব্যবস্থায় যুক্ত করা দরকার। এতে আমনসহ বিভিন্ন মৌসুমে আগেই এলাকার সারের চাহিদা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।"
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন, পর্যাপ্ত সার থাকার পরও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পবার উদ্যোগ সফল হলে পর্যায়ক্রমে জেলার অন্য উপজেলাতেও এটি চালু করা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পবা উপজেলা, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইউসুফ আলী (রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার), কাজী শহিদুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক), মো. ইবনুল আবেদীন (পবা ইউএনও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন ট্যাগ কর্মকর্তা, ১৫ জন আহত (নীলফামারী সংঘর্ষে), ১২ সেপ্টেম্বর (সংঘর্ষের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!