📌 বিসিকের ‘শরৎমেলা’ উদ্বোধনে বিএনপির নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কুটির ও হস্তশিল্পে সঠিক প্রশিক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে গার্মেন্টসের চেয়ে বেশি আয় সম্ভব। নারীদের জন্য ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন
বাংলাদেশের কুটির ও হস্তশিল্প খাতের সম্ভাবনা গার্মেন্টসের চেয়ে অনেক বড় — শুধু প্রশিক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থা সঠিকভাবে নিশ্চিত হলে এই খাত থেকে গার্মেন্টসের চেয়ে বেশি আয় করা সম্ভব। এই দাবি করেছেন বিএনপির নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, দেশের কারিগরদের জন্মগত মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তৈরি দেশীয় পণ্যের মান ও সৌন্দর্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেবার জন্য কারিগর ও উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, প্রচার ও বিপণন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কুটির ও হস্তশিল্পে সঠিক প্রশিক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে গার্মেন্টসের চেয়ে বেশি আয় করা সম্ভব।
- 📌 ৭ অক্টোবর রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
- 📌 ঘরের কাজের পাশাপাশি কুটির ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে নারীদের আয় ও স্বাবলম্বী হওয়ার বড় সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
- 📌 জামালপুরের নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মাটির তৈজসপত্র ও টেরাকোটা-এর মতো ঐতিহ্যবাহী পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
- 📌 প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সহজতর করার দাবি করেছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশের কারিগরদের জন্মগত মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তৈরি দেশীয় পণ্যের মান ও সৌন্দর্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে গার্মেন্টসসহ অন্যান্য চাকরির তুলনায় কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষকে আরও স্বাবলম্বী করতে হলে তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তিনি বলেন, শুধু পণ্য তৈরি করলেই হবে না, সেই পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর প্রচারও প্রয়োজন। প্রচার ও বিপণন সুবিধা বাড়ানো গেলে কুটির শিল্পের বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে এবং এ খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ঘরের কাজের পাশাপাশি কুটির ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে নারীদের আয় ও স্বাবলম্বী হওয়ার বড় সুযোগ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া অনেক নারী ঘরে বসেই কুটির শিল্পের বিভিন্ন কাজ করে আয় করছেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি পরিবারেও অর্থনৈতিক অবদান রাখছেন। এতে পরিবার ও সমাজে তাদের সম্মানজনক অবস্থান তৈরি হচ্ছে।
তিনি জামালপুরের নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মাটির তৈজসপত্র ও টেরাকোটার মতো ঐতিহ্যবাহী পণ্যের উদাহরণ দিয়ে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের মধ্যেও মানুষ প্রকৃতি ও ঐতিহ্যনির্ভর পণ্যের দিকে ফিরছে। ফলে এসব পণ্যের বাজার আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, সঠিক প্রশিক্ষণ, প্রচার ও বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে গার্মেন্টস খাতের চেয়ে কুটির শিল্প থেকে বেশি আয় করা সম্ভব।
"‘ফাইলের চাকা ঘোরাতে হবে’। ফাইল আটকে না রেখে দ্রুত কাজ নিষ্পত্তি করা হলে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবেন এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর (উদ্বোধনী অনুষ্ঠান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!