📌 'নির্মাণ' ইন্টারন্যাশনাল ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশ্বাসী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে শুরু করে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে তারা তেজগাঁওতে ৩০তলা 'মিরাই বাই নির্মাণ' প্রকল্পে কাজ করছে
বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পে ধারাবাহিকতা ও মানসম্মত কাজের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত 'নির্মাণ ইন্টারন্যাশনাল' ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বহুতল ও আইকনিক ভবন নির্মাণে বিশ্বাসী। প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ 'নির্মাণ' শব্দ থেকে করা হয়েছে, যার অর্থ গড়ে তোলা। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কে জেড ইসলাম ১৯৭৬ সালে এই নাম নিয়ে বহুতল ও ঐতিহ্যবাহী ভবন নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য ছিল শুধু কাজ শেষ করা নয়, বরং ধারাবাহিকভাবে আস্থার সঙ্গে মানসম্মত কাজ উপহার দেওয়া।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কে জেড ইসলাম ১৯৭৬ সালে 'নির্মাণ ইন্টারন্যাশনাল' প্রতিষ্ঠা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মানসম্মত ও ধারাবাহিক নির্মাণ কাজ
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের পরিচিত স্থাপনার মধ্যে রয়েছে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন (৩২ তলা), সেনাকল্যাণ ভবন (২১ তলা) ও মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার (২০ তলা)
- 📌 সংযুক্ত আরব আমিরাতে নির্মাণ ইন্টারন্যাশনালের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পসমূহ হলো আল-সাকসাক ভবন (১৯ তলা, ১৯৯২), আল কাসমি (১০ তলা, ১৯৯৩) ও আল মোবাররক (১৯ তলা, ১৯৯৩)
- 📌 বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে
- 📌 বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তেজগাঁওতে ৩০ তলা 'মিরাই বাই নির্মাণ' প্রকল্পে কাজ করছে, যার মোট আয়তন ৪ লাখ বর্গফুট এবং হস্তান্তর হবে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর
- 📌 গুলশান-২-এর ৯৬ নম্বর সড়কে ১৪ তলা 'সিরোক্কো বাই নির্মাণ' ও হাতিরঝিলে ১০ তলা 'লিলিয়া বাই নির্মাণ' প্রকল্পের হস্তান্তর পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে পরামর্শ ও টার্নকি ইপিসি সেবা প্রদান করে
📰 বিস্তারিত
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত 'নির্মাণ ইন্টারন্যাশনাল' প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পে একটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির যাত্রার শুরু থেকেই মান, অঙ্গীকার ও দূরদর্শিতার জন্য সুনাম গড়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটি শুধু উচ্চতর ভবন নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়, বরং অবকাঠামো ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং খাতেও সাফল্য অর্জন করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির নির্মিত উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন (৩২ তলা), মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার সেনাকল্যাণ ভবন (২১ তলা) এবং মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার (২০ তলা)। এছাড়াও গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি নির্মাণের কাজেও প্রতিষ্ঠানটি জড়িত ছিল।
১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করে এবং সেখানে আল-সাকসাক ভবন (১৯ তলা, ১৯৯২), আল কাসমি (১০ তলা, ১৯৯৩) ও আল মোবাররক (১৯ তলা, ১৯৯৩) নির্মাণ করে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকায় ৩০ তলা 'মিরাই বাই নির্মাণ' প্রকল্পে কাজ করছে, যার মোট আয়তন ৪ লাখ বর্গফুট এবং হস্তান্তর হবে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর। এছাড়াও গুলশান-২-এর ৯৬ নম্বর সড়কে ১৪ তলা 'সিরোক্কো বাই নির্মাণ' এবং হাতিরঝিলে ১০ তলা 'লিলিয়া বাই নির্মাণ' প্রকল্পের হস্তান্তর পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, সময় বদলালেও তাদের মূল্যবোধ ও অগ্রাধিকার বদলায়নি। মান, অঙ্গীকার ও যত্নই প্রতিষ্ঠানটির পরিচয়।
"মান, অঙ্গীকার ও যত্নই নির্মাণের পরিচয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (মতিঝিল, গাজীপুর, তেজগাঁও, গুলশান-২, হাতিরঝিল, ধানমন্ডি, বসুন্ধরা, স্বদেশ), সংযুক্ত আরব আমিরাত (আবুধাবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে জেড ইসলাম (প্রতিষ্ঠাতা), প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা), ৫০টি প্রকল্প (সম্পন্ন), ৩২ তলা (বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন), ২১ তলা (সেনাকল্যাণ ভবন), ২০ তলা (ব্র্যাক সেন্টার), ৩০ তলা (মিরাই বাই নির্মাণ), ৪ লাখ বর্গফুট (মিরাই বাই নির্মাণের আয়তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!