📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা দেন যে, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, শুধু রমজান নয়, বছরজুড়েই পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরকারের লক্ষ্য। বাজারে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি বা মুনাফা বাড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা দিয়েছেন যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নজরদারি আরও জোরদার করবে। তিনি বলেছেন, শুধু রমজান মাস নয়, বছরজুড়েই পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী ঘোষণা: নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার করা হবে
- 📌 রমজান নয়, বছরজুড়েই পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ সরকারের লক্ষ্য
- 📌 গ্যাস সরবরাহের বিঘ্ন ও পরিবহনের প্রতিবন্ধকতা বাজার পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলছে
- 📌 মসুর ডালের আমদানি বেড়েছে ৪২ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন
- 📌 ভোজ্যতেলের কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজার থেকে ৩ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন
- 📌 ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রম চালু হবে পণ্য সরবরাহের প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণের জন্য
- 📌 ডিম ও পোল্ট্রি পণ্যগুলোকে ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রমের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাজারে কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, যেকেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে, কিন্তু সরকারের লক্ষ্য শুধু রমজান নয়, সারা বছর পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে শিল্প উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। এছাড়াও পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা এবং ঝড়-বৃষ্টির প্রভাবও বাজারে পড়েছে। তবে শীতকালের আগমনে নতুন সবজি বাজারে আসার ফলে সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হতে পারে।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পণ্যের দামে দুই-চার টাকার অস্বাভাবিক ওঠানামা সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট সৃষ্টি করতে পারে। তাই বাজার স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি মানুষের আস্থা ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
বাজার মনিটরিং জোরদারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে পণ্যের মজুত, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বিদ্যমান কর কাঠামোর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হবে। দেশে উৎপাদিত পণ্য এবং এলসি খোলা পণ্যগুলোর তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।
"বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। কেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
- মসুর ডালের আমদানি: ৪২ হাজার মেট্রিক টন (গত বছর) → ১ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন (চলতি বছর)
- ভোজ্যতেলের কাঁচামাল আমদানি: ২ লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন (গত বছর) → ৩ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন (চলতি বছর)
- চিনির বার্ষিক চাহিদা: ২০ থেকে ২১ লাখ মেট্রিক টন
- রমজান মাসে চিনির চাহিদা: প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!