📌 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এলপিজি গ্যাসের অবৈধ মজুতদারি ও মূল্য কারসাজি রোধে তদারকি কমিটি গঠন করেছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, দেশের ২১টি মাদার প্ল্যান্টের মধ্যে সাতটি চট্টগ্রামে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক সংকটের কারণে সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত সব পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম: এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুতদারি ও মূল্য কারসাজি প্রতিরোধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন তদারকি কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সাংবাদিকদের জানান, বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস পৌঁছানো নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে তদারকি কমিটি গঠন করেছে
- 📌 দেশের ২১টি মাদার প্ল্যান্টের মধ্যে সাতটি চট্টগ্রামে অবস্থিত — সরবরাহের প্রতিটি ধাপ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে
- 📌 বেসরকারি খাতের ১৯টি প্রতিষ্ঠান দেশের ১৮ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি চাহিদার ৯৯% সরবরাহ করে
- 📌 বিইআরসি এলপিজির মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করেছে — অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের তদারকি চলছে
- 📌 ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলপিজি আমদানিতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, এলপিজি গ্যাসের অবৈধ মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি ঠেকাতে চট্টগ্রামে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস পৌঁছানো নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে। কোনো পর্যায়ে গ্যাস মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত দাম আদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না।’
জেলা প্রশাসক জানান, দেশে এলপিজি আমদানি ও সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র চট্টগ্রাম। দেশের ২১টি মাদার প্ল্যান্টের মধ্যে সাতটি চট্টগ্রামে এবং বাকি ১৪টি মোংলায় অবস্থিত। চট্টগ্রামের প্ল্যান্টগুলোতে কোন প্রতিষ্ঠান কী পরিমাণ এলপিজি আমদানি করছে এবং সেই গ্যাস কোথায় সরবরাহ করা হচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সরবরাহের প্রতিটি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও দফতরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে, যাতে কোনো পর্যায়ে অসৎ উদ্দেশ্যে গ্যাস আটকে রাখা কিংবা বেশি দামে বিক্রির সুযোগ তৈরি না হয়।’
বাজারে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি ও মজুতদারির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করেছে। নতুন মূল্য কার্যকরের পর ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করছে জেলা প্রশাসন।
"আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সরবরাহের প্রতিটি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও দফতরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে, যাতে কোনো পর্যায়ে অসৎ উদ্দেশ্যে গ্যাস আটকে রাখা কিংবা বেশি দামে বিক্রির সুযোগ তৈরি না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১টি মাদার প্ল্যান্ট (সাতটি চট্টগ্রামে), ১৮ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি চাহিদা, ১৯টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!