📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীন কেন সোনা সংগ্রহে তরঙ্গ? ইউয়ানকে বৈশ্বিক মুদ্রা করার কৌশল ও রিজার্ভের বৈচিত্র্য

চীন কেন সোনা সংগ্রহে তরঙ্গ? ইউয়ানকে বৈশ্বিক মুদ্রা করার কৌশল ও রিজার্ভের বৈচিত্র্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীন ২৩ মাস ধরে সোনা সংগ্রহ করে বৈদেশিক রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে এবং মার্কিন ডলারের নির্ভরতা কমাতে। গত মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোনার মজুত বাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪০৯ টন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউয়ানের শক্তি বৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যের সোনা বিক্রির সুযোগ নিয়ে চীন সোনা কেনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

চীন ২৩ মাস ধরে সোনা সংগ্রহের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে এবং মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে চলেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে পিপলস ব্যাংক অব চায়না (পিবিওসি) তাদের সোনার মজুত বাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজার আউন্সে, যা আগের মাসের তুলনায় ১ লাখ ৯০ হাজার আউন্স বেশি। এতে চীনের মোট সোনার মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার আউন্স বা প্রায় ২ হাজার ৪০৯ দশমিক ৫৯ টন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চীন ২৩ মাস ধরে সোনা কিনছে, গত মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোনার মজুত বাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজার আউন্সে — মোট মজুত ২ হাজার ৪০৯ টন
  • 📌 ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে চীন ১ হাজার টন সোনা আমদানি করেছে, যার মূল্য ১৫ হাজার ৮৮০ কোটি ডলার — ২০২৫ সালের পুরো বছরের তুলনায় ৭০% বেশি
  • 📌 চীনের বৈদেশিক রিজার্ভের ৯ শতাংশ সোনা — ইউয়ানের শক্তি বৃদ্ধি ও ডলার নির্ভরতা কমাতে সোনা কেনার কৌশল
  • 📌 হংকংয়ের সোনা বাজার ও বিদেশী খনিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে চীন ইউয়ানের বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়াতে চায়
  • 📌 বিশ্লেষকদের মতে, সোনার বাণিজ্যে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়লে ডলারের একচ্ছত্র প্রভাব দুর্বল হতে পারে

📰 বিস্তারিত

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না (পিবিওসি) সোনা সংগ্রহের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে এবং মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে চলেছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে পিবিওসি সোনার মজুত বাড়িয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজার আউন্সে, যা আগের মাসের তুলনায় ১ লাখ ৯০ হাজার আউন্স বেশি। এতে চীনের মোট সোনার মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার আউন্স বা প্রায় ২ হাজার ৪০৯ দশমিক ৫৯ টন।

চীনের বাজারেও সোনার চাহিদা বাড়ছে। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটি ১ হাজার টন সোনা আমদানি করেছে, যার মূল্য ১৫ হাজার ৮৮০ কোটি ডলার। অথচ ২০২৫ সালের পুরো বছরে চীন ৮৮৬ টন সোনা আমদানি করেছিল, যার মূল্য ছিল ৯ হাজার ৬৫০ কোটি ডলার। অর্থাৎ, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসেই চীন ২০২৫ সালের পুরো বছরের তুলনায় ৭০% বেশি সোনা আমদানি করেছে।

চীনের সোনা সংগ্রহের পেছনে একটি কৌশল রয়েছে। জিনরুই ফিউচার্সের বিশ্লেষক উ জিজিয়ে বলেন, ইউয়ানের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে আমদানি খরচ কমেছে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো সোনা আমদানির কোটা শিথিল করার সুযোগ পেয়েছে। পিকটে ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের এশিয়া অঞ্চলের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ঝেং ওয়াংছিংয়ের মতে, চীনের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার কারণে বিদেশে সম্পদ কেনার সক্ষমতা বেড়েছে। বেইজিং যখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমাচ্ছে, তখন বিকল্প সম্পদ হিসেবে সোনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চীনের সোনা সংগ্রহের পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য রয়েছে — ইউয়ানের বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য। গুওতাই জুনান ইন্টারন্যাশনালের প্রধান অর্থনীতিবিদ ঝৌ হাও বলেন, টানা ২৩ মাস সোনা কেনার ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের প্রতি আস্থা শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে ডলারে রাখা রিজার্ভের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

হংকংয়ের বিকাশমান সোনার বাজারের মাধ্যমে চীন ইউয়ানের মাধ্যমে সোনার বাণিজ্য বাড়াতে চায়। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন অভ্যন্তরীণ সোনার বাজারকে বিদেশের বাজারগুলোর সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সাংহাই গোল্ড এক্সচেঞ্জের হংকংয়ের অফশোর গুদাম এবং ইউয়ানে মূল্য নির্ধারিত সোনার চুক্তি। ভবিষ্যতে এই নেটওয়ার্ক সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, দুবাই, রিয়াদ ও মস্কো পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

"সোনা যার হাতে, নিয়মও তার হাতে" — চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঝিহুতে প্রকাশিত একটি পোস্টে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চীন (বিশেষত বেইজিং), হংকং, মধ্যপ্রাচ্য, লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঝেং ওয়াংছিং, ঝৌ হাও, উ জিজিয়ে, সিয়া ইংইং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ মাস, ৭ লাখ ৪০ হাজার আউন্স, ২ হাজার ৪০৯ টন, ১ হাজার টন, ১৫ হাজার ৮৮০ কোটি ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖