📌 চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ৮.৪২ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য। ২০ বছরে বিদ্যুৎ বিলে ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় এবং পরিবেশবান্ধব বন্দর ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে
চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি মাইলফলক ঘটেছে। বন্দরের বিভিন্ন ভবন ও শেডের ছাদে ৮.৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ২০ বছরে বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে ‘সবুজ বন্দর’ হিসেবে গড়ে তোলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে ৮.৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বন্দরের অব্যবহৃত ছাদে নির্মিত হবে।
- 📌 বন্দর কর্তৃপক্ষ ও গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে প্রকল্পটি বেসরকারি বিনিয়োগে ওপেক্স মডেলে বাস্তবায়িত হবে।
- 📌 ২০ বছরে প্রকল্পটি বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১০০ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয় করবে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাবে।
- 📌 চুক্তিতে চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম সাক্ষর করেছেন।
- 📌 প্রকল্পের মাধ্যমে বন্দর কর্তৃপক্ষ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ভূমিকা রাখবে।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম আজ সোমবার চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তি গ্রিন পোর্ট ইনিশিয়েটিভের আওতায় নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বন্দর ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পটি বেসরকারি বিনিয়োগে ওপেক্স মডেলে বাস্তবায়িত হবে। অর্থাৎ, বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রকল্পের শুরুতে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে না।
গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের নকশা প্রণয়ন থেকে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ পর্যন্ত সব দায়িত্ব পালন করবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ট্যারিফে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনবে। প্রকল্পের মাধ্যমে বন্দর কর্তৃপক্ষ দৈনন্দিন বিদ্যুতের একটি অংশ সৌর শক্তি থেকে পাবে। এছাড়া, ভবিষ্যতে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ থাকবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এই উদ্যোগটি সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানির নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং বন্দরকে আর্থিকভাবে লাভবান করবে। প্রকল্পটি কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সহায়তা করবে। চট্টগ্রাম বন্দর এই প্রকল্পের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
"সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পটি বেসরকারি বিনিয়োগে ওপেক্স মডেলে বাস্তবায়িত হবে। বন্দর কর্তৃপক্ষকে শুরুতে কোনো মূলধনী বিনিয়োগ করতে হবে না।"
— সৈয়দ রেফায়েত হামিম, বন্দর সচিব
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ নূরে আলম, সৈয়দ রেফায়েত হামিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮.৪২ মেগাওয়াট, ২০ বছর, ১০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!