📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রি অনুমোদিত: ১৫ দিনে খালাস নিতে হবে

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রি অনুমোদিত: ১৫ দিনে খালাস নিতে হবে

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস দুটি নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। নিয়মিত নিলামে ৪৫টি এবং বিশেষ নিলামে ৮৮টি লট অনুমোদিত হয়েছে। ক্রেতাদের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পণ্য খালাস নিতে হবে

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের দুটি নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে নিয়মিত নিলামে ৪৫টি এবং বিশেষ নিলামে ৮৮টি লটের পণ্য বিক্রি অনুমোদিত হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম কাস্টমসে ২টি নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন
  • 📌 নিয়মিত নিলামে ৪৫টি লটের মধ্যে ৭৩টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে
  • 📌 বিশেষ নিলামে ৮৮টি লটের ২৭৪টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে
  • 📌 ক্রেতাদের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পণ্য খালাস নিতে হবে, অন্যথায় গুদাম ভাড়া দিতে হবে
  • 📌 কমিশনার সর্বোচ্চ ৭ দিন অতিরিক্ত সময় দিতে পারবেন
  • 📌 পণ্য খালাসের আগে রাসায়নিক পরীক্ষা ও আইনি শর্ত পূরণ করতে হবে

📰 বিস্তারিত

৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নিলাম কমিটির সভায় সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশনার এই সিদ্ধান্ত নেন। সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিয়মিত নিলামে মোট ১০৩টি লটের বিপরীতে ১৪৮টি কনটেইনার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে ৪৫টি লটের ৭৩টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে, একটি লট বাতিল, দুটি লটের নয়টি কনটেইনার সাময়িক স্থগিত এবং ৪৬টি লট অননুমোদিত রাখা হয়েছে। এছাড়াও, নয়টি লটের ১৩টি কনটেইনারের বিপরীতে কোনো দর প্রস্তাব পাওয়া যায়নি।

বিশেষ নিলামে ৯২টি লটের বিপরীতে ২৭৮টি কনটেইনার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে ৮৮টি লটের ২৭৪টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে। একটি লট সাময়িক স্থগিত এবং তিনটি লট বাতিল করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত লটের ক্রেতাদের আদেশ প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত মূল্য, আগাম আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর পরিশোধ করে পণ্য খালাস নিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস করলে গুদাম ভাড়া দিতে হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস করতে না পারলে কারণ উল্লেখ করে কমিশনারের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে।

সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেন বলেন, নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পণ্য খালাসের আগে আমদানি নীতিমালা ও আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনে রাসায়নিক পরীক্ষার মাধ্যমে পণ্যের গুণগত মান যাচাই করতে হবে। পণ্যের সম্পূর্ণ বিক্রয়মূল্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কোষাগারে জমা দেয়ার প্রমাণ হিসেবে সরবরাহ আদেশে সংশ্লিষ্ট শাখার প্রত্যয়ন নিতে হবে।

"নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করা হচ্ছে। অনুমোদিত লটের ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল্য পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস নিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৩টি লট, ১৫ কার্যদিবস, ৪৫টি নিয়মিত লট, ৮৮টি বিশেষ লট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖