📌 চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিয়মিত ও বিশেষ ই-নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টি নিয়মিত নিলামে এবং ৮৮টি বিশেষ নিলামে অনুমোদিত হয়েছে। সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের বিবরণ দেওয়া হয়েছে
চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিয়মিত ও বিশেষ ই-নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেনের স্বাক্ষরিত দুটি বিজ্ঞপ্তি জড়িত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিয়মিত নিলামে ৪৫টি লট এবং বিশেষ নিলামে ৮৮টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিয়মিত ও বিশেষ নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে — ৪৫টি নিয়মিত নিলামে এবং ৮৮টি বিশেষ নিলামে
- 📌 নিয়মিত নিলামে ১০৩টি লটের বিপরীতে ১৪৮টি কনটেইনার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৭৩টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে
- 📌 বিশেষ নিলামে ৯২টি লটের বিপরীতে ২৭৮টি কনটেইনার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২৭৪টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে
- 📌 ১৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের বিবরণ দেওয়া হয়েছে
- 📌 বিক্রির অনুমোদন পাওয়া লটের ক্রেতাদের আদেশ প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে মূল্য পরিশোধ করে পণ্য খালাস নিতে হবে
- 📌 পণ্য খালাসের আগে আমদানি নীতিমালা ও আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে হবে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিয়মিত ও বিশেষ ই-নিলামে মোট ১৩৩টি লটের পণ্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত গত ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নিলাম কমিটির সভার সুপারিশের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত নিলামে ১০৩টি লটের বিপরীতে ১৪৮টি কনটেইনার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টি লটের ৭৩টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে। একটি লট বাতিল এবং দুটি লটের ৯টি কনটেইনারের বিক্রি সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ৪৬টি লট অনুমোদন পায়নি। বাকি ৯টি লটের ১৩টি কনটেইনারের বিপরীতে কোনো দরপ্রস্তাব পাওয়া যায়নি।
বিশেষ নিলামে ৯২টি লটের বিপরীতে ২৭৮টি কনটেইনার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮টি লটের ২৭৪টি কনটেইনার বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একটি লটের বিক্রি সাময়িক স্থগিত এবং তিনটি লট বাতিল করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিক্রির অনুমোদন পাওয়া লটের ক্রেতাদের আদেশ প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত মূল্য, প্রযোজ্য আগাম আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর পরিশোধ করে পণ্য খালাস নিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাস করলে গুদাম ভাড়া দিতে হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস করা সম্ভব না হলে কারণ উল্লেখ করে কমিশনারের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে। কমিশনার সর্বোচ্চ সাত দিন অতিরিক্ত সময় দিতে পারবেন।
সহকারী কমিশনার নাজমুল হোসেন বলেছেন, নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করা হচ্ছে। অনুমোদিত লটের ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল্য পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস নিতে হবে।
"নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করা হচ্ছে। অনুমোদিত লটের ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল্য পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম কাস্টমস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হোসেন (সহকারী কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৩টি লট, ৪৫টি নিয়মিত নিলাম লট, ৮৮টি বিশেষ নিলাম লট, ১৪৮টি কনটেইনার, ২৭৮টি কনটেইনার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!