📌 চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক বিমান সংযোগ কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়ে সরকার এডিবির কাছে ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব পাঠিয়েছে। প্রকল্পের লক্ষ্য: বছরে ১ কোটি যাত্রী ও ১ লাখ টন পণ্য পরিচালনা করতে সক্ষম করা
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক বিমান সংযোগ কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়ে সরকার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে অর্থায়ন চায়। প্রথম ধাপে ৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার সাথে কার্যকর বিমান সংযোগের কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব**: সরকার এডিবির কাছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর উন্নয়নের জন্য ৩০ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থায়ন চায়।
- 📌 **আঞ্চলিক সংযোগকেন্দ্র**: প্রকল্পের লক্ষ্য চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা, যেখানে বছরে ১ কোটি যাত্রী ও ১ লাখ টন পণ্য পরিচালনা করা যাবে।
- 📌 **আইজিএনডি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত**: ইআরডি ১৬ সেপ্টেম্বর এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টরকে চিঠি দিয়ে প্রকল্পটিকে সংস্থার ‘ইন্টেগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট’ (আইজিএনডি) উদ্যোগে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছে।
- 📌 **বিশেষত: কার্গো ও যাত্রী সক্ষমতা**: প্রথম ধাপে রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন ট্যাক্সিওয়ে, বড় উড়োজাহাজের পার্কিং স্ট্যান্ড এবং আধুনিক কার্গো হাব নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 **বর্তমান সীমাবদ্ধতা**: বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও নেপালে সরাসরি ফ্লাইট নেই। যাত্রীরা এখন ঢাকা হয়ে আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাচ্ছেন।
- 📌 **বেসরকারি বিনিয়োগের আহ্বান**: প্রথম ধাপে সরকারি বিনিয়োগ ২৫ কোটি ডলার, বেসরকারি খাত থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক বিমান সংযোগ কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়ে সরকার এডিবির কাছে অর্থায়ন চায়। প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার সাথে কার্যকর বিমান সংযোগের কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। ইআরডি ১৬ সেপ্টেম্বর এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টরকে চিঠি দিয়ে প্রকল্পটিকে সংস্থার ‘ইন্টেগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট’ (আইজিএনডি) উদ্যোগে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছে।
প্রকল্পের প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও নেপালে সরাসরি ফ্লাইট নেই। যাত্রীরা এখন ঢাকা হয়ে আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালে শাহ আমানত বিমানবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন হয়েছিল মাত্র ৯ লাখ ৭৭ হাজার। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা প্রায় ১০ লাখে সীমাবদ্ধ ছিল। পণ্য পরিবহনেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা। নিয়মিত কার্গো ফ্লাইট না থাকায় চট্টগ্রাম থেকে রপ্তানি পণ্য ঢাকায় নিয়ে সেখান থেকে বিদেশে পাঠাতে হয়।
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি আমিরুল হক গত ১৫ আগস্ট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চিঠি দিয়ে শাহ আমানত বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে, কিন্তু বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
প্রকল্পের প্রথম ধাপে ২৮ থেকে ৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি বিনিয়োগের প্রাথমিক হিসাব ২৫ কোটি মার্কিন ডলার। হোটেল, কনভেনশন সেন্টার, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক স্থাপনায় বেসরকারি খাত থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে। রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণ, বড় উড়োজাহাজের পার্কিং স্ট্যান্ড এবং আধুনিক কার্গো হাব নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে বছরে ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি যাত্রী ও ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ টন পণ্য পরিচালনা করার সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।
"সমুদ্রবন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পায়নকে ঘিরে চট্টগ্রামে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। কিন্তু এখান থেকে নিয়মিত কার্গো ফ্লাইট নেই, অনেক আন্তর্জাতিক গন্তব্যেও সরাসরি যাওয়া যায় না। এ কারণে বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমিরুল হক (চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ কোটি ডলার (বিনিয়োগ), ১ কোটি (যাত্রী), ১ লাখ টন (পণ্য), ১৬ সেপ্টেম্বর (চিঠি পাঠানো), ৫ বিলিয়ন ডলার (এডিবির বাংলাদেশে পরিকল্পিত বিনিয়োগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!