📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাটমোহরের ৬০ বছরের ঐতিহ্য: কমল পালের হাতে বাঁচে মনো পালের রসমালাই

চাটমোহরের ৬০ বছরের ঐতিহ্য: কমল পালের হাতে বাঁচে মনো পালের রসমালাই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাটমোহরের অন্নপূর্ণা মিষ্টান্ন ভান্ডারে বংশপরম্পরায় চলে আসা রসমালাইয়ের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন কমল পাল। ১৯৬৬ সালে চার টাকায় বিক্রি হতো এই মিষ্টি, বর্তমানে প্রতি কেজি ৪২০ টাকা। দাম বাড়লেও স্বাদ ও রেসিপি অপরিবর্তিত রেখেছে পরিবার।

চাটমোহরের প্রাচীন ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছেন কমল পাল। ব্রিটিশ আমলের সেই ছোট্ট মিষ্টির দোকান থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বংশপরম্পরায় চলে আসা এই ব্যবসায়ে তিনি দাদু মনো পালের রেসিপি ও স্বাদ অপরিবর্তিত রেখেছেন। দোলবেদীতলা এলাকায় অবস্থিত ‘অন্নপূর্ণা মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এ কমল পালের পরিবার ১৯৬৬ সাল থেকে রসমালাই তৈরি করছে, যা আজও দেশ-বিদেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাটমোহরে প্রথম রসমালাই তৈরি করেছিলেন মনো পাল, বর্তমানে ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন কমল পাল
  • 📌 ১৯৬৬ সালে ৪ টাকা থেকে বর্তমানে প্রতি কেজি ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে রসমালাই
  • 📌 ১৯৮২ সালে কমল পাল দায়িত্ব গ্রহণের সময় রসমালাইয়ের দাম ছিল ১৬ টাকা
  • 📌 মিষ্টির দোকানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কৃষ্ণদাস কুণ্ডুর গদিঘরের সামনে
  • 📌 প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশেও পাড়ি জমাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি

📰 বিস্তারিত

চাটমোহরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ব্যবসার শুরু হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে। চাটাইয়ের ওপর মোহর ঢেলে বেচাকেনার ঐতিহ্য ছিল এই শহরের। কৃষ্ণদাস কুণ্ডুর গদিঘরের সামনে একটি ছোট্ট টিনের চালের দোকান ছিল, যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুদর্শন যুবক মনো পাল। তিনি ছিলেন চাটমোহরে প্রথমবারের মতো রসমালাই তৈরি করার ব্যক্তি। সেই ছোট্ট দোকানের মিষ্টির সুখ্যাতি আজ দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।

১৯৮২ সালে মনো পালের মৃত্যুর পর বংশপরম্পরায় এই ব্যবসার হাল ধরেন তাঁর দৌহিত্র কমল কুমার পাল। বাবা সমরেন্দ্র নাথ পালের কাছ থেকে শেখা পুরোনো রেসিপি ও চিরচেনা স্বাদে তিনি এখনও মিষ্টি তৈরি করছেন। দামের পরিবর্তন সত্ত্বেও, মানুষের ভালোবাসা ও ক্রেতাসমাগম বিন্দুমাত্র কমেনি। বর্তমানে অন্নপূর্ণা মিষ্টান্ন ভান্ডারে প্রতি কেজি রসমালাই বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকায়। অন্যান্য মিষ্টির মধ্যে রয়েছে রসগোল্লা ২৮০ টাকা, সন্দেশ ৪২০ টাকা, রাজভোগ ও প্যাড়া ৪০০ টাকা, কাটারি ৪৫০ টাকা, ছানার জিলাপি ৩৭০ টাকা, চমচম ৩৫০ টাকা, রসকদম ৪০০ টাকা, কালোজাম ৩৬০ টাকা ও দই ২২০ টাকা প্রতি কেজি।

কমল পাল গর্বের সঙ্গে বলেছেন, ‘দাদু যা বানিয়ে গেছেন, আমরা তা-ই বানাই। রেসিপি বা মান কোনোটাই বদলাইনি।’ এই পরিবারের নিষ্ঠাই চাটমোহরের অন্নপূর্ণা মিষ্টান্ন ভান্ডারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও মাটির হাঁড়িতে করে মিষ্টি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পুরোনো রেওয়াজ আজও টিকে আছে। এমনকি মোড়কজাত হয়ে এই মিষ্টি এখন প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশেও পাড়ি জমাচ্ছে।

"দাদু যা বানিয়ে গেছেন, আমরা তা-ই বানাই। রেসিপি বা মান কোনোটাই বদলাইনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাটমোহর, পাবনা, দোলবেদীতলা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কমল কুমার পাল, মনো পাল, সমরেন্দ্র নাথ পাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২০ টাকা (রসমালাই), ১৬ টাকা (১৯৮২ সালে রসমালাই), ৪ টাকা (১৯৬৬ সালে রসমালাই)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖