📌 নোয়াখালীর চাটখিলে এক গ্রাহকের এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ভুলে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। কর্মকর্তারা মিটার যাচাই করে বিল সংশোধন করে ১ হাজার ১৮২ টাকা করে দেন। ভুল বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক মাসে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার ভুল বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত করে গ্রাহককে হতভম্ব করে দিয়েছে পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে মিটার যাচাই করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালী চাটখিলের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের শহীদুল ইসলাম রনি’র এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ভুলে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে বিল ছিল মাত্র ১৮৬০ টাকা, কিন্তু অক্টোবর মাসে হঠাৎ বিল বেড়ে যায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকায়
- 📌 মিটার যাচাই করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ১৮২ টাকা
- 📌 ভুল বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা মমতাজ বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়
- 📌 গ্রাহক দাবি করেন, কর্মকর্তাদের অবহেলা গ্রাহকদের হয়রানি করছে
📰 বিস্তারিত
চাটখিল উপজেলার ৪ নম্বর বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলাম রনি’র এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ভুলে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এই ঘটনায় গ্রাহক ও তার পরিবার হতভম্ব হয়ে পড়েন। সৌদি আরবে দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত ২ বছর আগে দেশে ফিরে আসা শহীদুল জানান, বর্তমানে তিনি নিজ গ্রামে ছোট ব্যবসায় জড়িত। তার বাড়িতে মাত্র ২টি সিলিং ফ্যান, ১টি প্রিজ, ৫টি লাইট ও আইপিএস ব্যবহার করা হয়। সেপ্টেম্বর মাসে তার বিল ছিল মাত্র ১৮৬০ টাকা। কিন্তু অক্টোবর মাসে হঠাৎ বিল বেড়ে যায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকায়।
গ্রাহক দাবি করেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি ডিজিএমকে তদারকি বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছেন। সোমবার রাত ১০টায় চাটখিল পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম জুনায়েদুর রহমান গ্রাহকের বাড়িতে যান। তিনি মিটার যাচাই করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ করেন ১ হাজার ১৮২ টাকা। ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে উপস্থিত লোকজনের কাছে ক্ষমা চান তিনি।
ডিজিএম জানান, ভুলবশত এই বিল করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল আর হবে না বলেও অঙ্গীকার করেন। ভুল বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা মমতাজ বেগমকে মঙ্গলবার সকালে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
"বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে তদারকি বাড়ানোর জন্য ডিজিএমকে অনুরোধ করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাটখিল উপজেলা, নোয়াখালী, হরিকৃষ্ণপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদুল ইসলাম রনি, ডিজিএম জুনায়েদুর রহমান, মমতাজ বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা (ভুল বিল), ১ হাজার ১৮২ টাকা (সংশোধিত বিল), ১৮৬০ টাকা (সেপ্টেম্বর মাসের বিল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!