📌 চলনবিলের উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলায় বন্যা পানি কমার সাথে সাথে কৃষকরা সরিষা চাষের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এবছর ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকরা আগাম জাতের সরিষা বপনের জন্য জমি প্রস্তুত করছে
চলনবিলের বন্যা পানি কমার সাথে সাথে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলা সহ আশপাশের এলাকার কৃষকরা সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছে। বর্ষার পানি নামার সাথে সাথে মাঠগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা সরিষা বপনের জন্য ব্যস্ত। চলনবিল অঞ্চলের কৃষকরা এবছর সরিষা চাষে আরও বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন কারণ এটি তুলনামূলক খরচ কম এবং লাভজনক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উল্লাপাড়া উপজেলায় ২৪ হাজার ৬০৫ হেক্টর এবং তাড়াশ উপজেলায় ১০ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 কৃষকরা বন্যা পানি কমার সাথে সাথে জমি প্রস্তুত করে আগাম জাতের সরিষা বপনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন
- 📌 সরিষা চাষের তুলনামূলক খরচ কম এবং লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে
- 📌 তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের কৃষক আহসান আলী বলেছেন, বর্ষার পানি নামার সাথে সাথে জমি শুকিয়ে যাওয়ায় সরিষা বপনের সময় এসেছে
- 📌 উল্লাপাড়া উপজেলার বড় পাঙ্গাসী গ্রামের কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, কেউ কাদার মধ্যে বীজ বোপন করবে, আবার কেউ জমি চাষ করে বীজ বোপন করবে
📰 বিস্তারিত
চলনবিল অঞ্চলের সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলা সহ নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর ও পাবনার চাটমোহরসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছে। বন্যার পানি কমার সাথে সাথে মাঠগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা সরিষা বপনের জন্য ব্যস্ত। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এবছর উল্লাপাড়া উপজেলাতে ২৪ হাজার ৬০৫ হেক্টর এবং তাড়াশ উপজেলায় ১০ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের কৃষক আহসান আলী বলেন, বর্ষার পানি নামতেই জমি শুকাতে শুরু করেছে। তিনি জানান, তারা আগাম জাতের সরিষা বপনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ডিসেম্বরের শেষের দিকে ফুল আসবে এবং জানুয়ারিতে ফলন পাবেন। উল্লাপাড়া উপজেলার বড় পাঙ্গাসী গ্রামের কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বনের পানি নামার সাথে সাথে কৃষকরা আগাম জাতের সরিষা আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন। কেউ কাদার মধ্যে বীজ বোপন করবে, আবার অনেকে জমি চাষ করে বীজ বোপন করবেন।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা বলেন, চলনবিল অঞ্চলের মাটি সরিষা, তেল এবং বীজ ফসলের জন্য বেশ উপযোগী। তিনি কৃষকদের উৎসাহিত করছেন উন্নত জাতের সরিষা চাষে। এতে উৎপাদন বাড়বে এবং তেলের চাহিদা পূরণে স্থানীয়ভাবে অবদান রাখবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্না ইয়াসমিন সুমী বলেন, এই উপজেলায় এবছর ২৪ হাজার ৬০৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকরা ইতিমধ্যেই সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন এবং তাদের নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
"বর্ষার পানি নামতেই জমি শুকাতে শুরু করেছে। এখনই সময় সরিষা বপনের। আমরা আগাম জাতের সরিষা বুনলে ডিসেম্বরের শেষের দিকে ফুল আসবে, জানুয়ারিতে ফলন পাবো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলা, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমোহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহসান আলী, আবু বক্কর সিদ্দিক, শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা, সুবর্না ইয়াসমিন সুমী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ হাজার ৬০৫ হেক্টর (উল্লাপাড়া), ১০ হাজার ৪১০ হেক্টর (তাড়াশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!