📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পুঁজিবাজারকে পুনর্গঠনে স্টেকহোল্ডারদের সেলফ-রেগুলেশন ও সুশাসনের প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিকল্প ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
অর্থনীতির নাজুক অবস্থা থেকে পুঁজিবাজারকে উদ্ধার করতে স্টেকহোল্ডারদের সেলফ-রেগুলেশন ও সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোতে ব্যাংক ঋণের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিকল্প ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট’-এর দিকে নিয়ে যাওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পুঁজিবাজার পুনর্গঠনে স্টেকহোল্ডারদের সেলফ-রেগুলেশন ও সুশাসন অবশ্যই প্রয়োজন।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং বাজারে স্বচ্ছতা ও ট্রাস্ট নিশ্চিত করতে হবে।
- 📌 অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও হংকংয়ে ডলার বন্ড ও বাংলাদেশ ডেডিকেটেড ফান্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
রোববার (৪ অক্টোবর) ঢাকার খামারবাড়িতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনস (আইওএসসিও)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টর উইক ২০২৬’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে স্টেকহোল্ডারদের স্বতঃস্ফূর্ত সেলফ-রেগুলেশন ও সুশাসন প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেছেন, অটোমেশন ও সিডিবিএল-এর মতো উন্নয়ন সত্ত্বেও বাজার ইতিবাচক ফল দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি একটি গভীর গর্তে পতিত হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘হাই স্ট্রিট থেকে ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট’-এর দিকে যাত্রা করতে হবে। তিনি জানান, বন্ড মার্কেট, ডেরিভেটিভস, সিকিউরিটাইজেশন এবং ইক্যুইটি মার্কেটের ওপর জোর দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াল স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পদক্ষেপে গভীর আস্থা প্রকাশ করেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, এই লক্ষ্য পূরণে গতানুগতিক বৈদেশিক ঋণের পরিবর্তে বৈশ্বিক ফাইন্যান্সিয়াল প্রোডাক্টের মাধ্যমে অর্থায়ন কাঠামো পরিবর্তন করা হবে।
"ব্রোকার, স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি, ক্রেডিট রেটিং সংস্থা এবং ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বোর্ডের মতো প্রতিটি স্টেকহোল্ডারকে নিজেদের নৈতিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে সেলফ-রেগুলেট করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়াম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বিলিয়ন ডলার (বছরে বিনিয়োগের প্রয়োজন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!