📌 ব্র্যাক ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএফপিআরআই) যৌথভাবে ২০২৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ৫০ হাজার কৃষক ও ১ হাজার ৫০০ কৃষি বিক্রেতাকে ডিজিটাল অর্থায়নের আওতায় আনবে। উদ্যোগে গেটস ফাউন্ডেশন সহায়তা করছে এবং ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাসের ভিত্তিতে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে
ব্র্যাক ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএফপিআরআই) যৌথভাবে বাংলাদেশের কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের ডিজিটাল অর্থায়নের সুবিধা প্রদানের একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য কৃষি খাতের বিভিন্ন স্তরে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ঘটিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের আনুষ্ঠানিক অর্থায়নের আওতায় আনতে। ব্র্যাক ব্যাংকের ইমপ্যাক্ট-ড্রিভেন এসএমই ইনোভেশন ল্যাব ‘ফিনোভিশন’-এর আওতায় নেওয়া এই প্রকল্পে গেটস ফাউন্ডেশন সহায়তা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্র্যাক ব্যাংক ও আইএফপিআরআই ২০২৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ৫০ হাজার কৃষক ও ১ হাজার ৫০০ কৃষি বিক্রেতাকে ডিজিটাল অর্থায়নের আওতায় আনবে
- 📌 ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাসের ভিত্তিতে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা এ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়া কৃষকদের জন্য নতুন
- 📌 ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আস্থা’, ‘সাফল্য’, ‘জীবিকা’ প্ল্যাটফর্ম ও এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডিজিটাল পেমেন্ট ও ঋণসেবা চালু করা হবে
- 📌 আইএফপিআরআই গবেষণা করে যাচাই করবে যে ডিজিটাল সেবা গ্রহণে কোন বিষয়গুলো ভূমিকা রাখে এবং উদ্যোগটি কতটা কার্যকর
- 📌 উদ্যোগের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্র্যাক ব্যাংকের সৈয়দ আবদুল মোমেন ও আইএফপিআরআইয়ের জোহান সোয়িনেন
📰 বিস্তারিত
ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আবদুল মোমেন বলেছেন, কৃষক ও ক্ষুদ্র কৃষিভিত্তিক ব্যবসা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাঁদের অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধার মুখে পড়েন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেনকে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক কার্যক্রমের স্পষ্ট চিত্র পাওয়া এবং ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা মূল্যায়ন সহজ করা সম্ভব হবে।
সৈয়দ আবদুল মোমেন আরও বলেছেন, ‘এই অংশীদারত্ব ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ও উপযুক্ত অর্থায়ন পাওয়ার মধ্যকার ব্যবধান কমাতে সহায়তা করবে। এর ফলে কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতারা ব্যবসা শক্তিশালী করতে, চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা করতে এবং নতুন সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন।’
আইএফপিআরআইয়ের রিসার্স ফেলো অ্যান্ড প্রজেক্ট লিড মেহরাব বখতিয়ার বলেছেন, বাংলাদেশের লাখ লাখ কৃষক এখনো প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে তারা জানার চেষ্টা করবেন যে ডিজিটাল আর্থিক সেবা কৃষকদের জীবনে কী ধরনের পরিবর্তন আনে এবং তাঁদের পুরোপুরি ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনতে কী কী প্রয়োজন। গবেষণার ফলাফল থেকে একটি সফল পরীক্ষামূলক উদ্যোগকে কৃষি অর্থায়নের জাতীয় মডেলে রূপ দেওয়ার জন্য তথ্য-প্রমাণ তৈরি করা হবে।
গেটস ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি প্রোগ্রাম অফিসার স্নিগ্ধা আলী বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রসারে ব্র্যাক ব্যাংক ও আইএফপিআরআইকে একত্রিত করা একটি অনন্য প্রয়াস। একজন কৃষকের দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেন যখন প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করে, তখন তাঁর জীবিকা ও জীবনের সম্ভাবনা বদলে যায়। গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই অংশীদারত্বে সম্পৃক্ত থাকতে আমরা গর্বিত।’
"কৃষক ও ক্ষুদ্র কৃষিভিত্তিক ব্যবসা দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ তাঁদের অনেকেই এখনো প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাধার মুখে পড়েন। দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেনকে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে তাঁদের আর্থিক কার্যক্রমের স্পষ্ট চিত্র পাওয়া এবং ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা মূল্যায়ন সহজ করা সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (পাইলট প্রকল্প)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ আবদুল মোমেন (ব্র্যাক ব্যাংক), জোহান সোয়িনেন (আইএফপিআরআই), মেহরাব বখতিয়ার (আইএফপিআরআই)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার কৃষক, ১ হাজার ৫০০ কৃষি বিক্রেতা, ২০২৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মেয়াদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!