📌 বগুড়ার কাহালু উপজেলায় বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো টুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মজিদ প্রামাণিকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রকল্পের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব
বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলায় বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো টুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। গত শনিবার বাগইল গ্রামের বাঁকাদীঘির পাড় এলাকায় প্রকল্পের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’ প্রকল্পের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে
- 📌 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মজিদ প্রামাণিক
- 📌 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মনিয়া খানম ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক
- 📌 সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেছেন, ‘স্মার্ট কৃষিই হতে পারে বাংলাদেশের কৃষি খাতের পরবর্তী অগ্রযাত্রার ভিত্তি’
- 📌 প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম জানান, ‘এক বছর আগের প্রতিশ্রুতি আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে’
- 📌 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারে প্রকল্পের নকশা উন্মোচন করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
বগুড়ার কাহালু উপজেলার বাগইল গ্রামে বাঁকাদীঘির পাড় এলাকায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মজিদ প্রামাণিকসহ কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মনিয়া খানম, কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস।
অনুষ্ঠানে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব প্রকল্পের লক্ষ্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। অ্যাগ্রো ট্যুরিজম এ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এখানে কৃষক শুধু ফসল বিক্রি করেন না, বরং কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিজ্ঞতাকেও পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে পারেন।’
প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম বলেন, ‘এক বছর আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আজ তার বাস্তব প্রতিফলন তুলে ধরছি। আমাদের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে একটি গ্রামে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয়েছে।’
চলতি বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার ২০২৬-এ সুখের খামার এগ্রোর নকশা উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক অংশীদারকে প্রকল্পের দলিল প্রদান করা হয়।
"বাংলাদেশের কৃষি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। অ্যাগ্রো ট্যুরিজম এ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এখানে কৃষক শুধু ফসল বিক্রি করেন না, বরং কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিজ্ঞতাকেও পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে পারেন। স্মার্ট কৃষিই হতে পারে বাংলাদেশের কৃষি খাতের পরবর্তী অগ্রযাত্রার অন্যতম ভিত্তি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া জেলা, কাহালু উপজেলা, বাগইল গ্রাম, বাঁকাদীঘির পাড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুল মজিদ প্রামাণিক (পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক), মো. তাসদীখ হাবীব (চেয়ারম্যান), জোবায়ের ইসলাম (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (নকশা উন্মোচন), এক কোটি টাকা (গ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!