📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজিএমইএতে দ্বৈত সদস্যরা সেবা বর্জন করলে ভোটাধিকার হারাবে: ১৩৫টি কারখানার মালিকদের প্রভাবিত হতে পারে

বিজিএমইএতে দ্বৈত সদস্যরা সেবা বর্জন করলে ভোটাধিকার হারাবে: ১৩৫টি কারখানার মালিকদের প্রভাবিত হতে পারে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর দ্বৈত সদস্যরা যদি বিজিএমইএ থেকে কাঁচামাল আমদানি সেবা নেয় না, তাহলে তাদের ভোটাধিকার হারিয়ে যাবে। ১৩৫টি কারখানার মালিকদের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে। সিদ্ধান্তটি বিজিএমইএর বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের দুটি প্রধান সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর দ্বৈত সদস্যরা বিজিএমইএ থেকে কাঁচামাল আমদানির সেবা না নিলে তাদের ভোটাধিকার হারিয়ে যাবে। এই সিদ্ধান্তটি বিজিএমইএর বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) অনুমোদিত হয়েছে। সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে প্রায় ১৩৫টি দ্বৈত সদস্য কারখানার মালিকদের ভোটাধিকার হারাতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিজিএমইএর দ্বৈত সদস্যরা যদি বিজিএমইএ থেকে কাঁচামাল আমদানির সেবা নেয় না, তাহলে তাদের ভোটাধিকার হারাবে
  • 📌 ১৩৫টি কারখানার মালিকদের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে, যারা বর্তমানে বিকেএমইএ থেকে সেবা নিচ্ছে
  • 📌 সেবা না নেওয়া মালিকদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে না, কিন্তু সদস্য পদ বহাল থাকবে
  • 📌 বিজিএমইএর সক্রিয় সদস্য প্রায় ২ হাজার ২০০, আর বিকেএমইএর সদস্য প্রায় ৮০০
  • 📌 বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সভাপতিত্ব করেন, সহসভাপতি শেহাব উদ্দুজা চৌধুরী প্রথম আলোকে তথ্য দেন

📰 বিস্তারিত

বিজিএমইএর বিশেষ সাধারণ সভায় গত শনিবার ঢাকার উত্তরা কার্যালয়ে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। সভায় বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সভাপতিত্ব করেন। বোর্ড সদস্য ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, এস এম ফজলুল হক ও খন্দকার রফিকুল ইসলাম। বিজিএমইএর সহসভাপতি শেহাব উদ্দুজা চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, দ্বৈত সদস্য প্রতিষ্ঠান যদি বিজিএমইএ থেকে কোনো সেবা না নেয়, তবে তাদের সদস্য পদ বহাল থাকলেও ভোটাধিকার থাকবে না।

শেহাব উদ্দুজা চৌধুরী আরও বলেন, যেসব কারখানার উৎপাদন নেই, কিন্তু কাগজপত্র হালনাগাদ রয়েছে, তাদের ভোটাধিকার থাকবে। এমনকি সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে পণ্য রপ্তানি করা কারখানাগুলো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে ভোটাধিকার ধরে রাখতে পারবে। তবে কোনো কারখানার অস্তিত্ব না থাকলে শুধু কাগজপত্র থাকলে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেবা হলো রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে ইউটিলিটি ডিক্লারেশন (ইউডি) দেওয়া। প্রতিটি ইউডির বিপরীতে সদস্যদের নির্ধারিত সেবা মাশুল দিতে হয়। সংগঠন দুটির আয়ের একটি বড় অংশই ইউডির মাশুল থেকে আসে।

"কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান একই সঙ্গে দুই সংগঠনের সদস্য হলে এবং বিজিএমইএ থেকে সব সেবা না নিলেও সদস্য পদ বহাল থাকবে। তবে তাদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে না।"

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজ প্রথম আলোকে জানান, বিজিএমইএর সিদ্ধান্তে কোনো বিভেদ হবে না। তিনি বলেন, ‘বিজিএমইএর মতো আমাদের কোনো নিয়ম নেই। ২০০৮ সালে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কোনো সদস্য টানা এক বছর ইউডি না নিলে তাঁর সদস্য পদ নবায়ন হবে না। সদস্য পদ নবায়ন না হলে ভোটাধিকার থাকবে না। তবে বছরে একবার ইউডি নিলে তাঁর সদস্য পদ নবায়ন হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার উত্তরা কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেহাব উদ্দুজা চৌধুরী, মাহমুদ হাসান খান, মোহাম্মদ হাতেম আজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৫টি কারখানা, ২ হাজার ২০০ সদস্য (বিজিএমইএ), ৮০০ সদস্য (বিকেএমইএ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖