📌 বিজেএমসির ২৫টি বন্ধ পাটকল বেসরকারি লিজে চালু হচ্ছে। ৯টি মিল ইতিমধ্যে কাজ করছে, আর ৩টি নতুন লিজে যাওয়ার পর ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে। বিনিয়োগের সম্ভাবনা ৬১৯ কোটি টাকা এবং বার্ষিক আয় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা
বিজেএমসির (বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন) দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ২৫টি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ধাপে ধাপে পুনরায় চালু হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সরকারের তথ্য। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি খাতে লিজ দেওয়ার মাধ্যমে এই পাটকলগুলো পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজেএমসির ২৫টি পাটকলের মধ্যে ২০টি বেসরকারি লিজে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, এর মধ্যে ১৭টি মিলের লিজ চুক্তি সম্পন্ন
- 📌 ইতিমধ্যে ৯টি পাটকল উৎপাদনে শুরু করেছে, যা প্রায় ৯ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে
- 📌 নতুন লিজে যাওয়া ৩টি মিল (সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস, খুলনার স্টার জুট মিলস ও প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস) চালু হলে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে
- 📌 এই ৩টি মিলে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ৬১৯ কোটি টাকা এবং বার্ষিক আয় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা
- 📌 বেসরকারি খাতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে ২০২০ সালের জুলাই থেকে এই পাটকলগুলো বন্ধ ছিল
📰 বিস্তারিত
বিজেএমসির মুখ্য পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ জানান, দীর্ঘদিনের লোকসান এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, বর্তমানে অবশিষ্ট পাঁচটি মিলের মধ্যে ডেমরা করিম জুট মিলস ও লতিফ বাওয়ানী জুট মিলস বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়াও, সীতাকুণ্ডের আমিন জুট মিলস আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে উৎপাদনে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অব্যবহৃত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে এবং পাট ও পাটজাত পণ্যে বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণ সুবিধাসহ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
লিজ প্রক্রিয়াধীন তিনটি মিলের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের এমএম জুট মিল, রাঙ্গুনিয়ার কেএফডি লিমিটেড এবং নরসিংদীর কো-অপারেটিভ জুট মিল। এছাড়াও, বিডিসিএফ বাগদাদ-ঢাকা কার্পেট ফ্যাক্টরি ও আলিম জুট মিলস নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে।
"দীর্ঘদিনের লোকসান এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারার কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধ করে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।"
"কর্মসংস্থান বাড়ানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অব্যবহৃত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, খুলনা, সিরাজগঞ্জ, নরসিংদী, ঢাকা, রাঙ্গুনিয়া, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মামুনুর রশিদ (মুখ্য পরিচালক), মো. শরীফুল আলম (প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার (কর্মসংস্থান), ২৫টি (পাটকল), ২০টি (লিজে দেওয়া), ১৭টি (লিজ সম্পন্ন), ৯টি (উৎপাদনে), ১১ হাজার ৬২৯ জন (কর্মসংস্থান), ৬১৯ কোটি টাকা (বিনিয়োগ), ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা (বছরে আয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!