📌 বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম ও জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নির্ধারণ করেছে। বিতরণ সংস্থাগুলো এখন থেকে ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে। অক্টোবর থেকে এই নতুন দর কার্যকর হবে
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম ও জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুলের নতুন নিয়মকানুন ঘোষণা করেছে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিতরণ সংস্থাগুলো এখন থেকে ৩৩ কিলোভোল্ট স্তরে ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা এবং ১৩২ কিলোভোল্ট স্তরে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে সৌরবিদ্যুৎ কিনবে। এই নতুন দর আগামী অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিতরণ সংস্থাগুলো ৩৩ কিলোভোল্ট স্তরে ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা এবং ১৩২ কিলোভোল্ট স্তরে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে সৌরবিদ্যুৎ কিনবে
- 📌 জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ২৩০ কিলোভোল্ট স্তরে ইউনিটপ্রতি ৩৭ দশমিক ৮৯ পয়সা, ১৩২ কিলোভোল্টে ৩৮ দশমিক ২৫ পয়সা এবং ৩৩ কিলোভোল্টে ৩৮ দশমিক ৯৭ পয়সা মাশুল নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা যাবে
- 📌 পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশকে সঞ্চালন মাশুল হিসেবে ইউনিটপ্রতি ৫ পয়সা দিতে হবে
- 📌 বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিইআরসির উৎপাদন লাইসেন্স নিতে হবে
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অন্যতম বাধা ছিল মূল্য ও মাসুল নির্ধারণ পদ্ধতি। এ বিষয়ে প্রাপ্ত প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি শেষে বিইআরসি আজ বুধবার নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে বিতরণ সংস্থাগুলো কিনবে। এছাড়া, জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের জন্য সঞ্চালন মাশুলও নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৩০ কিলোভোল্ট স্তরে ইউনিটপ্রতি ৩৭ দশমিক ৮৯ পয়সা, ১৩২ কিলোভোল্টে ৩৮ দশমিক ২৫ পয়সা এবং ৩৩ কিলোভোল্টে ৩৮ দশমিক ৯৭ পয়সা মাশুল নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ১ এপ্রিল বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) একটি সমন্বিত প্রস্তাব জমা দেয়। পরে ৭ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ এবং ছয়টি বিতরণ সংস্থা পৃথক প্রস্তাব দেয়। এসব প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনার পর ২৩ আগস্ট গণশুনানি হয়। শুনানিতে পাওয়া তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য বিশ্লেষণ করে বিইআরসি এ আদেশ দিয়েছে।
সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ দিয়েছে। এ ব্যবস্থায় বড় শিল্প ও রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান বেসরকারি উৎপাদনকারীর কাছ থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ কিনতে পারবে। তবে বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা বিদ্যুতের মূল্য ও জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নির্ধারণ করবে বিইআরসি। বাণিজ্যিক কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা যাবে। একই সঙ্গে দেশের যেকোনো স্থানে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে অন্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ রয়েছে।
"নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর নীতি, ২০২৫' গত বছরের অক্টোবরে গেজেট আকারে প্রকাশ করে সরকার। এতে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ কেনাবেচার চুক্তি এবং জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় স্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ টাকা ১১ পয়সা, ৬ টাকা ৯৮ পয়সা, ৩৩ কিলোভোল্ট, ১৩২ কিলোভোল্ট, ২৩০ কিলোভোল্ট, ৩৭ দশমিক ৮৯ পয়সা, ৩৮ দশমিক ২৫ পয়সা, ৩৮ দশমিক ৯৭ পয়সা, ২০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!