📌 মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। বেনামে বা ছদ্মনামে পলিসি খোলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন লেনদেনের জন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে বীমা খাতের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। ঢাকায় সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রজ্ঞাপন জারি করে বিএফআইইউ বেনামে বা ছদ্মনামে বীমা পলিসি খোলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এছাড়াও, বাংলাদেশ সরকারের তালিকাভুক্ত ব্যক্তি, নিষিদ্ধ সংগঠন বা সন্ত্রাসী ব্যক্তি/গোষ্ঠীর সাথে সম্পর্কিতদের পলিসি পরিচালনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেনামে বীমা পলিসি নিষিদ্ধ: মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে বেনামে বা ছদ্মনামে কোনো বীমা পলিসি খোলা যাবে না।
- 📌 সন্দেহভাজন লেনদেনের নজরদারি: এক দিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন হলে বীমা কোম্পানিকে বিএফআইইউকে তথ্য দাখিল করতে হবে।
- 📌 সন্ত্রাসী তালিকাভুক্তদের নিষেধাজ্ঞা: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সাথে সম্পর্কিতদের পলিসি পরিচালনা নিষিদ্ধ।
- 📌 গ্রাহক পরিচয় যাচাই বাধ্যতামূলক: পলিসি আবেদনকারীর নাম, পেশা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, মোবাইল নম্বরসহ সকল তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
- 📌 পুনঃবীমা ক্ষেত্রে সতর্কতা: পুনঃবীমায় মূল বীমাকৃত ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করা দরকার, যাতে সন্ত্রাসী অর্থায়নের সুযোগ না হয়।
📰 বিস্তারিত
মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মান এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের আলোকে বিএফআইইউ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সন্দেহভাজন পলিসির ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি করতে হবে। বিশেষ করে, আর্থিকভাবে যৌক্তিক উদ্দেশ্যহীন বা অস্বাভাবিক পলিসির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
বীমা কোম্পানিগুলোকে সন্দেহভাজন গ্রাহকের অর্থের উৎস যাচাই করতে হবে। এছাড়াও, পলিসি নবায়ন বা আর্থিক লেনদেনের সময় মানিলন্ডারিং বা সন্ত্রাসী অর্থায়নের সন্দেহ দেখা দিলে নজরদারি বাড়াতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রাহক তথ্য গোপন করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
বৈদেশিক বাণিজ্য-সংক্রান্ত বীমার ক্ষেত্রে আমদানি-রপ্তানি চুক্তি বা ঋণপত্রের নম্বর, তারিখ, মূল্যমান, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক দেশের নাম এবং পণ্যের বিবরণ যাচাই করতে হবে। প্রতিষ্ঠান বা সম্পত্তির বীমা পলিসির ক্ষেত্রে, বীমা গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণকারী শেয়ারহোল্ডার বা ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিককে প্রকৃত সুবিধাভোগী হিসেবে বিবেচনা করে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
"মানিলন্ডারিংয়ের সন্দেহ রয়েছে এমন জটিল পলিসির ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি করতে হবে। সন্দেহভাজন লেনদেনের তথ্য অন্তত পাঁচ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ অক্টোবর, ১০ লাখ টাকা, ১৮ ধারা, ২০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!