📌 বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে বীমা কোম্পানিগুলোকে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ নির্দেশনা প্রকাশিত হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন, গ্রাহক পরিচয় যাচাই, সন্দেহজনক লেনদেন নজরদারি এবং নথি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে বীমা কোম্পানিগুলোকে নতুন কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ নির্দেশনা প্রকাশিত হয়। এই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন, গ্রাহক পরিচয় যাচাই, সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ এবং নথি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বীমা কোম্পানিগুলোকে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে বিএফআইইউর নতুন নির্দেশনা প্রকাশিত হয়
- 📌 প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন বাধ্যতামূলক; নেতৃত্ব দিবেন প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা (সিএএমএলসিও)
- 📌 ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে পরের মাসের প্রথম সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউকে জানাতে হবে
- 📌 সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে দ্রুত বিএফআইইউকে জানাতে হবে; অভ্যন্তরীণ চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ
- 📌 পলিসি বন্ধ বা দাবি নিষ্পত্তির পর সব কেওয়াইসি নথি, লেনদেনের রেকর্ড এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নথি পাঁচ বছরের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে
📰 বিস্তারিত
বিএফআইইউর নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বা শীর্ষ ব্যবস্থাপনা কমিটি নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এই নীতিমালা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদন করবে। নীতিমালা প্রণয়নের পর সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের জানানো এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় পর্যায়ক্রমে তা পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, বীমা কোম্পানিগুলোকে তাদের সব শাখা, অ্যাজেন্সি, ইউনিট, দাবি নিষ্পত্তি অ্যাজেন্ট ও কমিশন অ্যাজেন্টদের জন্যও এমন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।
গ্রাহক শনাক্তকরণ এবং লেনদেন নজরদারি বিষয়ে বিএফআইইউ অতিরিক্ত সতর্কতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত নজরদারি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেনামি বা ছদ্মনামের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করতে হবে।
ব্যাংকিং বা মোবাইল আর্থিক সেবা চ্যানেল ছাড়া একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে বীমা কোম্পানিগুলোকে পরের মাসের প্রথম সাত কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে বিএফআইইউকে জানাতে হবে। উদ্দেশ্যহীন, অস্বাভাবিক বা জটিল লেনদেনের বিষয়ে কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ চ্যানেলের মাধ্যমে দ্রুত বিএফআইইউকে জানাতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, পলিসি বন্ধ বা দাবি নিষ্পত্তির পর সব কেওয়াইসি নথি, লেনদেনের রেকর্ড, অডিট রিপোর্ট এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নথি পাঁচ বছরের জন্য নিরাপদে সংরক্ষণ করতে হবে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে বিএফআইইউ।
"বীমা কোম্পানিগুলোকে তাদের সব শাখা, অ্যাজেন্সি, ইউনিট, দাবি নিষ্পত্তি অ্যাজেন্ট ও কমিশন অ্যাজেন্টদের জন্যও এমন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এতে গ্রাহক শনাক্তকরণ, লেনদেন নজরদারি, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কমপ্লায়েন্স প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), বীমা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কমিটি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ অক্টোবর, ১০ লাখ টাকা, ৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!