📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিআইএন বাধ্যতা: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংকিং ও ঋণ পাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে নতুন শর্ত

বিআইএন বাধ্যতা: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংকিং ও ঋণ পাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে নতুন শর্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার ফলে বাংলাদেশের ৯৯ শতাংশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তারা ব্যাংকিং সেবা ও ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা ভোগ করছেন। এবিবি অনুরোধ করলেও এনবিআর শর্ত প্রত্যাহারের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছে

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তারা ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার ফলে ব্যাংকিং সেবা ও ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছেন। চলতি অর্থবছর থেকে কার্যকর হওয়া এই শর্তে দেশের প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে ৯৯ শতাংশ ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি ধরনের ব্যবসায়ীরা জটিলতা ভোগ করছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান ৮৫ শতাংশেরও বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিআইএন বাধ্যতা কার্যকর হলে ৯৯ শতাংশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তারা ব্যাংকিং সেবা ও ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন
  • 📌 বিবিএস তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে ৯৯ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা
  • 📌 সিএমএসএমই খাত দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশ ও মোট দেশজ উৎপাদনের ২৫-৩২ শতাংশের অবদান রাখে
  • 📌 এবিবি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিআইএনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেবার অনুরোধ জানিয়েছে
  • 📌 এনবিআর বলেছে, বিআইএন বাধ্যতা আইনের অধীনে এবং ব্যাংক বা এনবিআর নিজস্ব সিদ্ধান্তে শর্ত বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই
  • 📌 উদ্যোক্তা শাহ পরান বলেছেন, বিআইএন নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত খরচ ও দীর্ঘসূত্রতা উদ্যোক্তাদের হয়রানি করে
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক শরিয়াহসম্মত ইসলামি ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার জন্য পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রদান করেছে

📰 বিস্তারিত

ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার ফলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তারা ব্যাংক হিসাব খোলা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে, যার মধ্যে ৯৯ শতাংশ ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি ধরনের ব্যবসা। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ এই খাতের সাথে যুক্ত। এছাড়াও, সিএমএসএমই খাতের অবদান দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে ২৫ থেকে ৩২ শতাংশ।

ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার ফলে উদ্যোক্তারা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ এবং নতুন ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। এ বিষয়ে ব্যাংকারদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, অনেক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তার এখনো বিআইএন নেই। নতুন করে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত খরচ ও দীর্ঘসূত্রতা উদ্যোক্তাদের হয়রানি করে। এবিবি ক্ষুদ্র, কুটির ও অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিআইএনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সেটিও সম্ভব না হলে পর্যায়ক্রমে নিয়ম কার্যকর এবং উদ্যোক্তাদের প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় দেওয়ার অনুরোধ করেছে সংগঠনটি।

এবিবির অনুরোধ বিবেচনার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে এনবিআর। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, বিআইএন বাধ্যতা আইনের অধীনে এবং এটি একটি সাধারণ নিয়ম। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৪(৩)(ক) ও (খ) ধারায় ব্যবসার জন্য চলতি বা এসটিডি হিসাব খোলা ও পরিচালনা এবং ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিআইএন উপস্থাপনের বিধান রয়েছে। এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, এই নিয়মটি ছোট, মাঝারি বা বড় সব ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এর উদ্দেশ্য হলো ব্যবসাকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনা এবং কর ও ভ্যাট ব্যবস্থার আওতা বাড়ানো।

"ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত খরচ ও দীর্ঘসূত্রতা উদ্যোক্তাদের হয়রানি করে। নিয়মটি একসঙ্গে কঠোরভাবে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হলে উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ হয় এবং চাপ কমবে।"

উদ্যোক্তা শাহ পরান বলেছেন, বিআইএনের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়, কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করাই বড় সমস্যা। প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন নথি ও অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক উদ্যোক্তাকে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির মুখে পড়তে হয়। তিনি বলেন, নিয়মটি একসঙ্গে কঠোরভাবে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হলে উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ হয় এবং চাপ অনেকটা কমবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উদ্যোক্তা শাহ পরান, এবিবি কর্মকর্তারা, এনবিআর কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ১৭ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট, ৯৯ শতাংশ ক্ষুদ্র ও কুটির ব্যবসা, ৩ কোটি কর্মসংস্থান, ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থান, ২৫-৩২ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖