📌 বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম চোরাচালান প্রতিরোধে সতর্কতা জানান। তিনি বন্দরকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন। সোমবার বন্দর ও পৌর এলাকায় তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিদর্শন করেন
বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব আদায়ে সততা ও ন্যায়পরায়ণতার উপর জোর দিয়েছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল কাস্টমস হাউসে অনুষ্ঠিত একটি সভায় বক্তব্য রাখেন। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে কোনোভাবে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া যাবে না। তিনি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজস্ব আহরণে সতর্কতা: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম চোরাচালান প্রতিরোধে সতর্কতা জানিয়ে বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া যাবে না।
- 📌 বন্দরের গুরুত্ব: তিনি বলেন, বেনাপোল দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর। চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় এখানে কম খরচে ও দ্রুত পণ্য আমদানি করা যায়।
- 📌 অনিয়মের অভিযোগ: বন্দরকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
- 📌 ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা: কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, বন্দরে যন্ত্রপাতির ঘাটতি রয়েছে। তিনি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন রপ্তানি বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।
- 📌 বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ: প্রতিমন্ত্রী বেনাপোল পৌর এলাকায় ১০ হাজার গাছ রোপণের উদ্যোগ প্রশংসা করেন এবং গাছগুলোকে বাঁচাতে পানি দেওয়ার ওপর জোর দেন।
- 📌 রাজনৈতিক সমাবেশ: বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও পৌর গেটে স্লোগান দিতে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাবেরা নাজমুন মুন্নীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী।
📰 বিস্তারিত
বেনাপোল কাস্টমস হাউসে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত সভায় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য পাচার করা যাবে না এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেনাপোল বন্দর দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর। চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় এখানে কম খরচে ও দ্রুত পণ্য আমদানি করা যায়। তবে বন্দরকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।
সভায় কাস্টমসের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার অতুল কুমার আমদানি-রপ্তানি ও রাজস্ব আদায়ের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরেন। কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, বন্দরে পণ্য ওঠানামার জন্য যন্ত্রপাতির ঘাটতি রয়েছে। তিনি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন রপ্তানি বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।
ব্যবসায়ীরা বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়মের বিষয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা শুল্ক ফাঁকি ও ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আমদানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়ম মেনে ব্যবসা করছেন তাদের জন্য সহজ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বেনাপোলের ব্যবসায়ী মফিজুর রহমান সজন বলেন, একসময় এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতেন। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে যাত্রী চলাচল আবারও বাড়বে বলে আশা করেন। তিনি বেনাপোল থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত ছয় লেনের সড়ক নির্মাণের দাবি জানান।
বিকেল ৫টায় প্রতিমন্ত্রী বেনাপোল পৌর গেটে যান। সেখানে তিনি ভারত উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোপণ করা ১০ হাজার গাছ পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুম শেষে গাছগুলোকে বাঁচাতে নিয়মিত পানি দেওয়া ও পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পরে তিনি উলশী জিয়া খাল ও তালবাগান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
"বেনাপোল দেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর। চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় এ পথে কম খরচে ও স্বল্প সময়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি করা সম্ভব। তবে বন্দরকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেনাপোল কাস্টমস হাউস, বেনাপোল পৌর এলাকা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান, সহকারী কমিশনার অতুল কুমার, ব্যবসায়ী মফিজুর রহমান সজন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ সেপ্টেম্বর, ৩:৩০ টা, ১২-১৩ হাজার যাত্রী, ১০ হাজার গাছ, ৫:০০ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!