📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগের সরকারের আমলে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে এবং এখন ব্যাংকগুলো শূন্য মাঠের মতো অবস্থায় রয়েছে। তিনি শিল্পকারখানার সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন এবং এলডিসি উত্তরণের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের শর্ত পূরণে আর্থিক সহায়তার দাবি তুলেছেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শনিবার রাজধানীর রমনায় অনুষ্ঠিত একটি আলোচনা সভায় বলেছেন, আগের সরকারের আমলে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে এবং এখন ব্যাংকগুলো শূন্য মাঠের মতো অবস্থায় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বস্ত্র ও পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, কারণ এই খাতটি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিজভী বলেছেন, ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে এবং এখন ব্যাংকগুলো শূন্য মাঠের মতো অবস্থায় রয়েছে।
- 📌 জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকট, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, এলসি খোলার জটিলতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের শর্ত পূরণ — এসব সমস্যা শিল্পকারখানার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 বস্ত্র ও পোশাক খাত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস এবং এখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত।
- 📌 এলডিসি উত্তরণের কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আগের মতো সুবিধা দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হতে পারেন।
- 📌 রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হলে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।
- 📌 অর্থের সংস্থান এবং আন্তর্জাতিক শর্ত পূরণে ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থা উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার বিকেলে পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানের জন্য করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় রিজভী বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকট, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, এলসি খোলার জটিলতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের শর্ত পূরণে উদ্যোক্তারা সমস্যায় পড়ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম বড় খাত বস্ত্র ও পোশাকশিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, এই খাতের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। তাই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, জ্বালানিসংকট ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপের মধ্যে কীভাবে এই খাতকে টিকিয়ে রাখা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আগের মতো সুবিধা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে — এই বিবেচনায় কিছু ক্রেতা পণ্য কেনার ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্ত হতে পারেন।
অন্তর্জাতিক ক্রেতাদের শর্ত পূরণে শিল্পকারখানার পরিবেশ, কর্মপরিবেশ ও অন্যান্য শর্ত পূরণের ওপর জোর দেন রিজভী। তিনি বলেন, এসব শর্ত পূরণে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন এবং ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থায় উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করাও বড় চ্যালেঞ্জ।
রিজভী আরও বলেন, বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে পরিচালনা করা গেলে সেগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া জরুরি। তিনি প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ উল্লেখ করেন।
"আগের সরকারের আমলে ব্যাংকগুলো থেকে সব নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন ব্যাংকগুলো ফাঁকা, শূন্য মাঠের মতো পড়ে আছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে শিল্পকারখানা চালু করা এবং বস্ত্র ও পোশাক খাতকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্যোগ নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রমনা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (এলডিসি উত্তরণের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের দ্বিধা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!