📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতীয় রুপির বিপরীতে বাংলাদেশী টাকার ১১.৬% উত্থান: দু’বছরে শক্তিশালী হয়েছে মুদ্রা

ভারতীয় রুপির বিপরীতে বাংলাদেশী টাকার ১১.৬% উত্থান: দু’বছরে শক্তিশালী হয়েছে মুদ্রা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতীয় রুপির বিপরীতে বাংলাদেশী টাকার মূল্য গত দুই বছরে ১১.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উত্থান বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ও আমদানিতে সুবিধা সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, টাকার শক্তিশালী অবস্থান আমদানিকারকদের জন্য ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে

গত দুই বছরে ভারতীয় রুপির বিপরীতে বাংলাদেশী টাকার মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে টাকার মূল্য বেড়েছে ১১.৬ শতাংশ। বিশেষ করে গত এক বছরে টাকার মূল্য বেড়েছে ৭.৬ শতাংশ। বিনিময় হারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা সমান দাঁড়িয়েছে প্রায় ০.৭৮ ভারতীয় রুপি। এক বছর আগের একই তারিখে এক টাকা সমান ছিল প্রায় ০.৭২ রুপি, আর ২০২৪ সালের একই দিনে এক টাকা সমান ছিল প্রায় ০.৭০ রুপি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে টাকার মূল্য বেড়েছে ৫.৫ পয়সা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত দুই বছরে ভারতীয় রুপির বিপরীতে বাংলাদেশী টাকার মূল্য ১১.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 গত এক বছরে টাকার মূল্য বেড়েছে ৭.৬ শতাংশ — ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে ১ টাকা = ০.৭৮ রুপি, ২০২৫ সালে ১ টাকা = ০.৭২ রুপি
  • 📌 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে ১ রুপির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১.২৮ টাকা, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯.৭২ পয়সা কম
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেছেন, টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে
  • 📌 ভারত থেকে আমদানি ও ভ্রমণে বাংলাদেশীদের স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কমতে পারে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার ক্রস রেট ছিল ১.২৭৮৯ থেকে ১.২৭৯৬ টাকা। অর্থাৎ ১ টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে ০.৭৮১ থেকে ০.৭৮২ রুপি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, টাকার মূল্য বাড়লে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কমতে পারে। তিনি বলেন, একই পরিমাণ ভারতীয় পণ্য ও সেবা কিনতে বাংলাদেশী আমদানিকারকদের তুলনামূলক কম টাকা ব্যয় হবে।

ভারত থেকে কাঁচামাল, শিল্প উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য পণ্য আমদানিকারক ব্যবসায়ীরাও টাকার শক্তিশালী অবস্থান থেকে সুফল পেতে পারেন। কারণ এসব পণ্য আমদানিতে ব্যয়ের মুদ্রা-সংক্রান্ত অংশ তুলনামূলকভাবে কমে আসতে পারে। তবে আরিফ হোসেন খান বলেছেন, আমদানি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, পরিবহন ব্যয়, শুল্ক ও কর এবং ব্যবসায়ীদের মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে প্রকৃত প্রভাব।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরও বলেছেন, আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের ব্যয় নির্ধারণে বিনিময় হার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তিনি জানান, টাকার শক্তিশালী অবস্থান ভারতে ভ্রমণকারী বাংলাদেশীদেরও সুবিধা দিতে পারে। প্রচলিত বাজারদর অনুযায়ী টাকার বিপরীতে রুপির মূল্য কম থাকলে ভারতে বাংলাদেশীদের আবাসন, খাবার, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের টাকায় হিসাব করা মূল্য কমবে।

"টাকার মূল্য বাড়লে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কমতে পারে। একই পরিমাণ পণ্য কিনতে বাংলাদেশী আমদানিকারকদের কম টাকা ব্যয় হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, বৈদেশিক মুদ্রাবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ হোসেন খান (বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১.৬% (দু’বছরে টাকার উত্থান), ৭.৬% (গত এক বছরে উত্থান), ০.৭৮ রুপি (২০২৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ১ টাকার মূল্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖