📌 বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আলোচনা করেছে। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন
বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সোমবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে সাক্ষাত করেন এবং এফটিএ আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫ অক্টোবর ঢাকায়** শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়
- 📌 **তুরস্ক সফরে** বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ জানানো হয়
- 📌 **বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায়** তুরস্কের বিশেষায়িত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা আলোচিত হয়
- 📌 **তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর** পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য
- 📌 **কমসেকের আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন ও ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিটে** বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ-তুরস্ক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়গুলো আলোচিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসন্ন তুরস্ক সফরে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ রয়েছে।
বৈঠকে তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। এই তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া, ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্ব পায়। তুরস্কে এ ধরনের বর্জ্য পরিশোধন, সংরক্ষণ ও নিরাপদ নিষ্পত্তির জন্য বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) রয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত কারণে দেশটিতে চামড়া শিল্পের কার্যক্রম কমেছে। এর পরিবর্তে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে। বৈঠকে কমসেকের অধীনে অনুষ্ঠেয় আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন এবং ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট ও হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন। পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
"বাংলাদেশ-তুরস্ক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!