📌 বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দেশের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্ভাবনাকে টেকসই পর্যটনশিল্পে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরেন
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ভিত্তিক পর্যটন সম্ভাবনাকে টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বিমানমন্ত্রী** এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান
- 📌 **সুন্দরবন, কক্সবাজার, চট্টগ্রামের পাহাড় ও হ্রদ, সিলেটের চা-বাগান**সহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য পর্যটন উন্নয়নের মূল ভিত্তি
- 📌 **বাংলাদেশ** থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পাঠানো পণ্য ও ডাক ‘উচ্চ ঝুঁকির’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে ইউরোপের সহযোগিতা চান মন্ত্রী
- 📌 **ওসমানী বিমানবন্দর** ৯৮ শতাংশ ও **হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর** ৯৪ শতাংশ নিরাপত্তা স্কোর অর্জন করেছে — ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আশা
- 📌 **যুক্তরাজ্য**কে বাংলাদেশের ‘অকৃত্রিম বন্ধু’ উল্লেখ করে মন্ত্রী পর্যটন খাতের উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা আশা করেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা এলাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিমানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা অপরিমিত। সুন্দরবন, কক্সবাজার সাগরতীর, চট্টগ্রামের পাহাড় ও হ্রদ, সিলেটের চা-বাগানসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য পর্যটন উন্নয়নের জন্য মূল্যবান সম্পদ।
মন্ত্রী বলেন, সরকার পর্যটন খাতে **প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ** আকর্ষণ এবং বিনিয়োগ পরিবেশ সহজতর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
বিমান চলাচল খাতের সাথে পর্যটনের গভীর সম্পর্ক তুলে ধরতে মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য বোয়িং ও এয়ারবাসের সমন্বয়ে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ উড়োজাহাজ বহর গঠনের কাজ চলছে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য ব্রিটিশ হাইকমিশনের সহযোগিতা চান। ২০১৭ সালের জুন থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পাঠানো পণ্য ও ডাক ‘উচ্চ ঝুঁকির’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে এই উদ্বেগ মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মন্ত্রী জানান, গত **১৭ জুলাই** যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগের মূল্যায়নে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর **৯৮ শতাংশ** এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর **৯৪ শতাংশ** নিরাপত্তা স্কোর অর্জন করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ দ্রুত প্রত্যাহারের জন্য ব্রিটিশ হাইকমিশনের সহযোগিতা আশা করেন।
বাংলাদেশকে ‘অকৃত্রিম বন্ধু’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যের জনগণ বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে ছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বিনিয়োগ করতে হবে এবং তাদের বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
"বাংলাদেশের পর্যটনে বিনিয়োগ করুন। আমরা আপনাদের বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বারিধারা, ঢাকা (ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিমানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮%, ৯৪%, ১৭ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!