📌 সরকার জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির জন্য সৌদি আরবের ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন থেকে ৩১০ কোটি ডলার ঋণ নেয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুমোদিত ঋণে ২৫০ কোটি ডলার তেল আমদানিতে এবং ৬০ কোটি ডলার এলএনজি কেনার জন্য ব্যবহার হবে
সরকার জ্বালানি আমদানির অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের জেদ্দা-ভিত্তিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) থেকে ৩১০ কোটি ডলার ঋণ নেয়। এই ঋণের মধ্যে ২৫০ কোটি ডলার জ্বালানি তেল আমদানিতে এবং বাকি ৬০ কোটি ডলার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১০ কোটি ডলার ঋণ নেয় সরকার সৌদি আরবের আইটিএফসি থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য, যার মধ্যে ২৫০ কোটি ডলার তেল আমদানিতে এবং ৬০ কোটি ডলার এলএনজি কেনার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুমোদিত ঋণটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জরুরি জ্বালানি আমদানির জন্য নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৬ মাসের মেয়াদ এবং ১.৭০ শতাংশ সুদহারের ঋণে আইটিএফসি নিজস্ব তহবিল থেকে ৬০ কোটি ডলার সরবরাহ করবে, বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে সহ-অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে।
- 📌 ৩৩০ কোটি ডলার মোট বিদেশি ঋণের মধ্যে ২০ কোটি ডলার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা আধুনিকায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছে।
- 📌 ২৫ বছরের মেয়াদ এবং ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড সহ এডিবির ঋণে ০.৫০ শতাংশ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা এবং আমদানি কার্যক্রমে অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে এই ঋণ নেয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনস (এসসিএনসিএল) বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জরুরি জ্বালানি আমদানির জন্য এই ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
আইটিএফসির ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় মাসের টার্ম এসওএফআরের সঙ্গে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ যোগ করে। আগের বছরের বার্ষিক সুদহারের তুলনায় এ হার কিছুটা কম। ঋণের মধ্যে আইটিএফসি নিজস্ব তহবিল থেকে ৬০ কোটি ডলার সরবরাহ করবে, বাকি ২৫০ কোটি ডলার বিভিন্ন সহ-অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। এই অর্থ পুরোটাই জ্বালানি আমদানির অর্থায়নে ব্যবহার করা হবে।
এই ঋণ নেওয়ার পিছনে প্রধান কারণ ছিল জ্বালানি তেল আমদানির অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং এলএনজি আমদানির জন্য পেট্রোবাংলার প্রয়োজন। সরকারের অনমনীয় ঋণসংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী, ঋণসেবা পরিশোধের জন্য রপ্তানি আয়ের ১০ শতাংশ বা রাজস্ব আয়ের ১৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে। ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে সরকারের পরিশোধ সক্ষমতা এবং জাতীয় অগ্রাধিকারও বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এছাড়াও, বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা আধুনিকায়নের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ২০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। এই ঋণটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) পাবে। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার আশপাশের ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বাড়ানো, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করা হবে।
"জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা এবং আমদানি কার্যক্রমে অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে নেওয়া এ ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সরকারি বৈঠক), সৌদি আরবের জেদ্দা (আইটিএফসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১০ কোটি ডলার (ঋণ), ২৫০ কোটি ডলার (তেল আমদানি), ৬০ কোটি ডলার (এলএনজি), ২০ কোটি ডলার (এডিবি ঋণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!