📌 বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার সাথে বৈঠকে ইইউর সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও এলডিসি উত্তরণ পরের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে সহযোগিতা চেয়েছেন। কৃষি প্রযুক্তি, পাটশিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বন্দর অবকাঠামোতে ডাচ সহযোগিতার সম্ভাবনা আলোচিত হয়
১৩ অক্টোবর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার সাথে ইইউর সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) প্রসারিত ও এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের পর ইউরোপের বাজারে বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছেন। বৈঠকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্পায়ন ও টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে আরো শক্তিশালী করার সম্ভাবনা আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৩ অক্টোবর** সচিবালয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার সাথে বৈঠকে **ইইউর সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) প্রসারিত** ও এলডিসি উত্তরণ পরের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে সহযোগিতা চেয়েছেন।
- 📌 **কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ** খাতে নেদারল্যান্ডসের উন্নত বীজপ্রযুক্তি ও গবেষণা বাংলাদেশের কৃষি খাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে কাজে লাগানো হবে। বিশেষ করে **আলু ও সবজির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি** ও রফতানিযোগ্য পণ্য উৎপাদনে যৌথ উদ্যোগের কথা বলা হয়।
- 📌 **পাটশিল্পে** পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন ও উচ্চমূল্য সংযোজনের জন্য ডাচ প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পাটবীজ উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও যৌথ গবেষণাগার স্থাপনের সম্ভাবনা আলোচিত হয়।
- 📌 **নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বন্দর অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনায়** ডাচ প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।
- 📌 **বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আতাউর রহমান খান** ও নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলসহ উভয় দেশের প্রতিনিধিদল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নেদারল্যান্ডসকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, উভয় দেশের সম্পর্ককে বর্তমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্পায়ন ও রফতানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে আরো শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়া সম্ভব। বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও সম্ভাবনাময় বাজারের সাথে নেদারল্যান্ডসের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সমন্বয় ঘটানো গেলে উভয় দেশই উপকৃত হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইউরোপ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রফতানি বাজার। এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রফতানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য ইউরোপের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ইইউর সাথে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কারিগরি আলোচনা এগিয়ে নেয়া এবং শুল্কবহির্ভূত বাধা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
বৈঠকে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেন। কৃষিপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, শিল্পের আধুনিকায়ন, সামুদ্রিক পরিবহন ও পানি ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
"বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও সম্ভাবনাময় বাজারের সাথে নেদারল্যান্ডসের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সমন্বয় ঘটানো গেলে উভয় দেশই উপকৃত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী), শুর্দ শুর্দসমার (নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!