📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলা কিউআর কোডে ৩৭ লাখের বেশি মার্চেন্ট: বিকাশ ও পূবালী ব্যাংক নেতৃত্ব দিচ্ছে লেনদেনে বিপ্লব

বাংলা কিউআর কোডে ৩৭ লাখের বেশি মার্চেন্ট: বিকাশ ও পূবালী ব্যাংক নেতৃত্ব দিচ্ছে লেনদেনে বিপ্লব

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলা কিউআর কোডের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বাধ্যতামূলক করার পর ৩৭ লাখের বেশি মার্চেন্ট কোড স্থাপন করেছে। বিকাশ শীর্ষে, অক্টোবর থেকে মার্চেন্টদের জন্য শূন্য খরচের সুবিধা শুরু হবে

বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেনের নতুন মাইলফলক অতিক্রম করেছে বাংলা কিউআর কোড। বাধ্যতামূলক করার পর থেকে দেশজুড়ে ৩৭ লাখের বেশি মার্চেন্ট কিউআর কোড স্থাপন করেছে ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন গড়ে ১৩২ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে এই কোডের মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই থেকে বাংলা কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করার পর থেকে মার্চেন্টদের কাছে কোড স্থাপনের হার দ্রুত বেড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৭ লাখ ৫৩ হাজার মার্চেন্ট কিউআর কোড স্থাপন করেছে দেশজুড়ে ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠান
  • 📌 প্রতিদিন গড়ে ১৩২ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে
  • 📌 শীর্ষে বিকাশ (৮ লাখ ৫ হাজার ৩৫৭ মার্চেন্ট), দ্বিতীয় পূবালী ব্যাংক (৪ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৩)
  • 📌 অক্টোবর থেকে মার্চেন্টদের জন্য শূন্য খরচের সুবিধা চালু হবে
  • 📌 এমএফএস এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউটে ফি দিতে হবে, কিন্তু মার্চেন্ট কোডে কোনো খরচ নেই
  • 📌 সরকারকে মার্চেন্ট কোডে রাজস্ব দিতে হবে না, এমএফএস প্রতিষ্ঠানদের ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

বাংলা কিউআর কোডের বাধ্যতামূলকতা আরোপের পর থেকে মার্চেন্টদের কাছে কোড স্থাপনের হার দ্রুত বেড়েছে। এখন প্রতিটি মার্চেন্টের এক ব্যাংক বা এমএফএস হিসাবের বিপরীতে চার থেকে পাঁচটি বাংলা কিউআর কোড দেওয়া হচ্ছে। ফলে গ্রামের দোকানদার থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত এই কোড ব্যবহার করছে। এতে এমএফএসের এজেন্ট ইকোসিস্টেম ভেঙে পড়েছে।

বাংলা কিউআর মার্চেন্ট সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে বিকাশ, যাদের মার্চেন্ট সংখ্যা ৮ লাখ ৫ হাজার ৩৫৭। দ্বিতীয় স্থানে পূবালী ব্যাংক (৪ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৩) এবং তৃতীয় স্থানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ (৩ লাখ ১১ হাজার ৯৩৭)। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক (২ লাখ ৭২ হাজার ৫০৭) চতুর্থ এবং অগ্রণী ব্যাংক (২ লাখ ৬৮ হাজার ৩) পঞ্চম স্থানে রয়েছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ট্যালি পে (২ লাখ ৬ হাজার ১৮৯), রূপালী ব্যাংক (১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৩৫), রকেট (১ লাখ ৬৭ হাজার ৬২৫), জনতা ব্যাংক (১ লাখ ২১ হাজার ২০৯), সেবা ফিনটেক (১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮) এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (১ লাখ ১১ হাজার ৮৩৯) উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী অক্টোবর থেকে মার্চেন্টদের জন্য বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারে শূন্য খরচের সুবিধা চালু করবে। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ ও নগদ ফেরত দেওয়ার জন্য কোনো মাশুল দিতে হবে না। তবে এমএফএসের এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউটে নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। এই ফি বাবদ এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে রাজস্ব দেয়, কিন্তু মার্চেন্ট কোডে কোনো রাজস্ব দিতে হবে না। ফলে মার্চেন্টদের জন্য এটি লাভজনক হবে।

"বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণে মার্চেন্টদের খরচ শূন্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে গ্রাহক ও মার্চেন্ট উভয়ের জন্য এটি লাভজনক হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক, বিকাশ, পূবালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ লাখ ৫৩ হাজার মার্চেন্ট কোড, ১৩২ কোটি টাকা দৈনিক লেনদেন, ৮ লাখ ৫ হাজার ৩৫৭ বিকাশের মার্চেন্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖