📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে জমি-সম্পত্তি দান করবেন? করের হিসাব ও অব্যাহতি সম্পর্কে জানুন এখানে

বাংলাদেশে জমি-সম্পত্তি দান করবেন? করের হিসাব ও অব্যাহতি সম্পর্কে জানুন এখানে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে জমি বা সম্পত্তি দান বা হেবায় করের হিসাব কীভাবে করবেন? দানকর ও আয়কর আইনের নতুন নিয়ম, করমুক্ত দানের শর্ত এবং সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

বাংলাদেশে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে জমি, ফ্ল্যাট বা অন্যান্য সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় দানকর ও আয়কর সম্পর্কে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। কেউ মনে করেন হেবা করলেই কর দিতে হবে, আবার কারও ধারণা দান সম্পূর্ণ করমুক্ত। বাস্তবে করদায় নির্ভর করে লেনদেনের প্রকৃতি, দাতা-গ্রহীতার সম্পর্ক এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর। অর্থ আইন, ২০২৬ এবং দানকর আইন, ১৯৯০-এর নতুন স্পষ্টীকরণে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দানকর আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী, ১ জুলাই ১৯৯০ থেকে প্রদত্ত দানের ওপর কর প্রযোজ্য, যদি আইনগত অব্যাহতি না থাকে।
  • 📌 দানকর মূলত দানকারীর দায়; দানগ্রহীতার আয়কর দায় সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
  • 📌 পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী ও আপন ভাই-বোনদের মধ্যে করা দান করমুক্ত।
  • 📌 সর্বমোট ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দান করমুক্ত, তবে এটি সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে সব দানের সম্মিলিত মূল্যের ওপর প্রযোজ্য।
  • 📌 জমি বা ফ্ল্যাটের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে দানের তারিখে খোলাবাজারের মূল্য বিবেচনা করা হয়। দলিলে কম মূল্য লেখা থাকলেও করের হিসাবে সেই মূল্য গ্রহণ করা হয়।
  • 📌 দানকর হার: প্রথম ৫ লাখ টাকার ওপর ৫%, পরবর্তী ১০ লাখ টাকার ওপর ১০%, পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ১৫%, এবং অবশিষ্ট অংশের ওপর ২০% কর প্রযোজ্য।
  • 📌 দানের রিটার্ন পরবর্তী কর বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আগে উপ-কর কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে দান বা হেবা করলেও করের প্রযোজ্যতা নির্ভর করে লেনদেনের প্রকৃতি ও আইনের শর্তাবলী। দানকর আইন, ১৯৯০-এর ধারা ২ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বিনা প্রতিদানে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে তা ‘দান’ হিসেবে গণ্য হয়। দলিলে ‘দান’, ‘উপহার’ বা ‘হেবা’ লেখা থাকলেও লেনদেনের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ।

দানকর আইন, ১৯৯০-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত সম্পত্তি, সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে প্রদত্ত দান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, দুর্যোগ তহবিল বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে করা দান করমুক্ত। এছাড়া পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী ও আপন ভাই-বোনদের মধ্যে করা দানও করমুক্ত। তবে দাদা-নাতি, নানা-নাতনি, চাচা-ভাতিজা বা বন্ধুদের মধ্যে দান করমুক্ত নয়।

দানকর আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১২৫-এর উপধারা (২ক) সংযোজন এবং ৭ জুলাইয়ের স্পষ্টীকরণে দানকর ও আয়কর সম্পর্কে আরও পরিষ্কারতা এসেছে। দানকর মূলত দানকারীর দায়; দানগ্রহীতার আয়কর দায় সম্পূর্ণ আলাদা। দানকর আইন, ১৯৯০-এর ধারা ৫ অনুযায়ী, জমি বা ফ্ল্যাটের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে দানের তারিখে খোলাবাজারের মূল্য বিবেচনা করা হয়। দলিলে কম মূল্য লেখা থাকলেও করের হিসাবে সেই মূল্য গ্রহণ করা হয় না—বরং খোলাবাজারের মূল্য বিবেচনা করা হয়।

দানকর হার ধাপভিত্তিক: প্রথম ৫ লাখ টাকার ওপর ৫%, পরবর্তী ১০ লাখ টাকার ওপর ১০%, পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ১৫%, এবং অবশিষ্ট অংশের ওপর ২০% কর প্রযোজ্য। দানকর আইন, ১৯৯০-এর ধারা ৭ অনুযায়ী, দানের রিটার্ন পরবর্তী কর বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আগে উপ-কর কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে।

"দানকর মূলত দানকারীর দায়। তাই দানকারীর দানকর ও দানগ্রহীতার আয়কর দায় সম্পূর্ণ পৃথক বিষয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দাতা-গ্রহীতা (পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী, আপন ভাই-বোন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার টাকা (করমুক্ত সীমা), ৫ লাখ টাকা (৫% কর), ১০ লাখ টাকা (১০% কর), ১৫% (২০ লাখ টাকা পর্যন্ত), ২০% (অবশিষ্ট অংশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖