📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ: সংকটের মূল কারণ অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ: সংকটের মূল কারণ অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটের মূল কারণ হিসেবে মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতা। সাংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপিত নথিতে ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবার কথা অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংসদে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় তিন ধাপের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটের মূল কারণ হিসেবে সরকারি মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও সিদ্ধান্তহীনতা। জাতীয় সংসদে গত শনিবার অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রণালয় উপস্থাপিত নথিতে ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের কথা অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের জন্য এই অযৌক্তিক চার্জের পাশাপাশি অবকাঠামোগত পরিকল্পনার অভাবও দায়ী করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়।
  • 📌 বৈঠকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মূল কারণ হিসেবে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতা উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 ৩ ধাপের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে সংকট মোকাবিলায়: জরুরি ব্যবস্থা, মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
  • 📌 ২৯ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
  • 📌 ডিজেলের মজুত মাত্র ৩১ দিনের জন্য রয়েছে, যা সংকট বাড়িয়ে তুলছে।
  • 📌 ২০০৩ সালের বিইআরসি আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী জ্বালানির দাম নির্ধারণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জের ফরেনসিক অডিট করতে বলেছেন সাংসদীয় কমিটির সদস্য।

📰 বিস্তারিত

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মন্ত্রণালয় উপস্থাপিত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের জন্য ভুল নীতি, সিদ্ধান্তহীনতা, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনাই মূল কারণ। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন অনুযায়ী একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের কথা অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠকে সংকট মোকাবিলায় তিন ধাপের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। প্রথম ধাপে জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা, শুল্ক কমানো, ক্যাপাসিটি চার্জ ও সংশ্লিষ্ট চুক্তি পুনর্বিবেচনা এবং জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। এই ধাপের সময়সীমা আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় বেজলোড বিদ্যুৎকেন্দ্রের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণের বিষয় রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ৩ হাজার মেগাওয়াটের ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ ব্যবস্থা, ক্ষুদ্র মডুলার রিঅ্যাক্টর এবং আন্তসীমান্ত বিদ্যুৎ আমদানির কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মূল কারণ হিসেবে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতা স্বীকার করা হয়। জামায়াতে ইসলামীর এমপি মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জের বিষয়ে হাইকোর্টে রায় হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল। ওই কমিটির সুপারিশ কী ছিল এবং তা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, সে বিষয়ে পরবর্তী বৈঠকে জানাতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০০৩ সালের বিইআরসি আইনের ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, জ্বালানির দাম নির্ধারণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৩ বছরে এই প্রবিধান তৈরি করা হয়নি, যা সংকটের একটি কারণ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বর্তমানে ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও মাত্র ১৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদিত হচ্ছে। ডিজেলের মজুত মাত্র ৩১ দিনের জন্য রয়েছে। তিনি আরও বলেন, রান্নার ১২ কেজি এলপিজির সিলিন্ডার বাজারে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি সরকারের নজরদারি বাড়ানোর দাবি তোলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৫০ মেগাওয়াটের ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে খরচ ধরা হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা, কিন্তু সরকারি প্রকল্পে ব্যয় ৩৫০ কোটি টাকার বেশি ধরা হয়েছে। তিনি মন্ত্রণালয়কে প্রকল্পের বিস্তারিত হিসাব দিতে বলেছেন।

"বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপনায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ-সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতার বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের বিপুল ব্যয়ের কথাও উঠে এসেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় সংসদ ভবন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (জামায়াত এমপি), হাসনাত আবদুল্লাহ (এনসিপি এমপি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা (ক্যাপাসিটি চার্জ), ৩০ শতাংশ (নবায়নযোগ্য জ্বালানি), ৩ হাজার মেগাওয়াট (ব্যাটারি স্টোরেজ), ৩১ দিন (ডিজেলের মজুত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖