📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে এনজিওর বিদেশি অনুদান ৩১% কমে সরকারি প্রকল্পে অংশীদারত্বের আলোচনা চলছে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
বাংলাদেশে এনজিওর বিদেশি অনুদান ৩১% কমে সরকারি প্রকল্পে অংশীদারত্বের আলোচনা চলছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে পাঁচ বছরে এনজিওর বিদেশি অনুদান ৩১% কমে ৬৫ কোটি ডলারে নেমেছে। একই সময়ে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিলও ৬৯% কমে ৩৪৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। সরকার এনজিওকে উন্নয়ন প্রকল্পে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে

বাংলাদেশে এনজিওগুলোর বিদেশি অনুদান পাঁচ বছরে ৩১ শতাংশ কমে ৬৫ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিলও ৬৯ শতাংশ কমে ৩৪৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এ অবস্থায় সরকার এনজিওগুলিকে উন্নয়ন প্রকল্পে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করার চিন্তা করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এনজিওর বিদেশি অনুদান ছিল ৯৫৫ মিলিয়ন ডলার, ২০২৩-২৪ সালে কমে ৬৫ কোটি ডলারে
  • 📌 ২০২২ সালে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল ছিল ১ হাজার ১২৯ কোটি টাকা, ২০২৫ সালে নেমে ৩৪৫ কোটি টাকায়
  • 📌 অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে
  • 📌 পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, এলডিসি উত্তরণে এনজিওকে সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা চলছে
  • 📌 বিআইডিএস আয়োজিত সেমিনারে এসব বিষয় আলোচিত হয়

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) আয়োজিত ‘বিদেশ-নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য উঠে আসে। অনুষ্ঠানটি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএস সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক কাজী ইকবাল।

কাজী ইকবালের মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এনজিওগুলোর বিদেশি অনুদানের পরিমাণ ছিল ৯৫৫ মিলিয়ন ডলার (৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার)। কিন্তু ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। এনজিওগুলো অনেক সময় ব্যাংকের সিএসআর অর্থায়নের ওপর নির্ভর করে, কিন্তু সেটিও কমছে। মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ১২৯ কোটি টাকা। ২০২৫ সালে তা নেমে আসে মাত্র ৩৪৫ কোটি টাকায়।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সরকার ও এনজিওর মধ্যে অর্থায়ন মডেল কী হবে, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। এনজিওগুলো সব জায়গায় সেবা পৌঁছে দিতে পারে, যেখানে অনেক সময় সরকার যেতে পারে না। তাই আমরা এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে চাই।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, এলডিসি উত্তরণ সামনে রেখে এনজিওগুলোয় বিদেশি অর্থায়ন প্রায় শেষ হয়ে আসছে। এখন সবুজ অর্থায়ন, কার্বন অর্থায়নের মতো নতুন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বিদেশ-নির্ভরতা থেকে বের করে এনজিওগুলোকে এখন সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা করছে সরকার। সরকারের উন্নয়নপ্রক্রিয়ায় এনজিওগুলিকে যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে।

"সরকার ও এনজিওর মধ্যে অর্থায়ন মডেল কী হবে, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। এনজিওগুলো সব জায়গায় সেবা পৌঁছে দিতে পারে, যেখানে অনেক সময় সরকার যেতে পারে না। তাই আমরা এনজিওর সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী আগারগাঁও, বিআইডিএস সম্মেলনকক্ষ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, কাজী ইকবাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১% (বিদেশি অনুদান কমে), ৬৯% (সিএসআর তহবিল কমে), ৯৫৫ মিলিয়ন ডলার (২০১৮-১৯), ৬৫ কোটি ডলার (২০২৩-২৪)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖