📌 বাংলাদেশ সরকার জার্মানির লুফথানসার সাথে এমআরও কেন্দ্র স্থাপন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিনিয়োগ চুক্তি আলোচনা করেছে। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্গো মর্যাদা প্রত্যাহারের বিষয়েও আলোচনা হয়
বাংলাদেশ সরকার জার্মানির বিখ্যাত এভিয়েশন সংস্থা লুফথানসার সাথে এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আলোচনা করেছে। এতে এমআরও কেন্দ্র স্থাপন, দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্গো মর্যাদা প্রত্যাহারের বিষয়ও উঠে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বাধীন লুফথানসার প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাত করেন।
- 📌 বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে লুফথানসার সাথে এমআরও কেন্দ্র স্থাপন ও বিনিয়োগ চুক্তি আলোচনা হয়।
- 📌 দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসার কারিগরি সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ সরকার।
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্গো মর্যাদা প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।
- 📌 হজরত শাহজালাল ও ওসমানী বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি নিরাপত্তা স্কোর পেয়েছে।
- 📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিকায়নে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।
- 📌 ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ সরবরাহ শুরু করার দাবি জানান মন্ত্রী।
- 📌 বাংলাদেশ ও জার্মানি সরাসরি বিমান যোগাযোগ বাড়ানোর ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে এভিয়েশন খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি লুফথানসাকে বিশ্বের অন্যতম প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে বলেন, দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় একটি পূর্ণাঙ্গ এমআরও স্থাপনে লুফথানসার বড় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দেশেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ক্ষেত্রেও লুফথানসার কারিগরি সহযোগিতা চান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশে আসা কার্গো ও ডাকের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেওয়া ‘উচ্চ ঝুঁকির কার্গো ও ডাক’ (এইচআরসিএম) মর্যাদা প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ২০১৭ সাল থেকে এই মর্যাদা বহাল রয়েছে। বিমানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নিরাপত্তার বিষয়ে সব পর্যবেক্ষণ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা নিরীক্ষায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে এইচআরসিএম মর্যাদা প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।
বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিকায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, বিমানের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এসব উড়োজাহাজের সরবরাহের সময় এগিয়ে আনা জরুরি। তিনি জোর দেন, ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ শুরু করার জন্য। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ বাড়ানো এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
"বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। লুফথানসাকে বিশ্বের অন্যতম প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় একটি পূর্ণাঙ্গ এমআরও স্থাপনে লুফথানসার বড় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, রুডিগার লটজের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ (বিমানবন্দর নিরাপত্তা স্কোর), ১০টি (এয়ারবাস বিমান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!