📌 বাংলাদেশে প্রতি কেজি এলপিজির সরকারি নির্ধারিত দাম ১৫৩ টাকা, যেখানে ভারতের কলকাতায় তা ৮৭ টাকা। বাংলাদেশে ১২ কেজির সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হয় ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। সরকারি সংস্থা বিইআরসি দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।
বাংলাদেশে এলপিজি দাম ভারতের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। প্রতি কেজি এলপিজির সরকারি নির্ধারিত দাম বাংলাদেশে ১৫৩ টাকা, যেখানে ভারতের কলকাতায় তা মাত্র ৮৭ টাকা। বাংলাদেশে ১২ কেজির সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হয় ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, ফলে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত খরচে এলপিজি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশে প্রতি কেজি এলপিজির সরকারি নির্ধারিত দাম ১৫৩ টাকা, কলকাতায় ৮৭ টাকা
- 📌 বাংলাদেশে ১২ কেজির সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, বাজারে বিক্রি হয় ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়
- 📌 বাংলাদেশে প্রায় ৮০ শতাংশ এলপিজি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির রান্নায়
- 📌 বিইআরসি দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, সরবরাহও কমে গেছে
- 📌 ভারতের রাষ্ট্রমালিকানাধীন কোম্পানি আইওসিএল এলপিজি বিক্রিতে লোকসান করছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে এলপিজি দামের সমস্যা অনেক বছর ধরে চলছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে দাম নির্ধারণ করে, কিন্তু তা বাজারে কার্যকর হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ১২ কেজির সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও ঢাকার বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এই অতিরিক্ত খরচের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার চাপে পড়ছে।
বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি গ্রাহক এলপিজি ব্যবহার করে, যার মধ্যে ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয় গৃহস্থালির রান্নায়। এলপিজির চাহিদা বছরে ১৫ লাখ টন ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি সংস্থা বিইআরসি ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি) নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে পারছে না। একই সময়ে, এলপিজির সরবরাহও কমে গেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরের একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, দিনে ৩০টি সিলিন্ডার চাইলেও পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৫টি।
বাংলাদেশের এলপিজি দামের সাথে ভারতের তুলনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ভারতের সরকারি অবকাঠামো ও পরিবহন ব্যবস্থার কারণে দাম কম থাকে। বাংলাদেশে এলপিজি আমদানি করে বেসরকারি কোম্পানিগুলো সরবরাহ করে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর পাড়ে, বাগেরহাটের মোংলা ও টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় এলপি গ্যাস কোম্পানির জমি রয়েছে। তবে বড় মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য তিন-চার বছর সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।
ভারতের রাষ্ট্রমালিকানাধীন কোম্পানি আইওসিএলের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এলপিজির দাম ভিন্ন। কলকাতায় ১৪ দশমিক ২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৯৬৮ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি কেজির দাম ৮৭ টাকা। দিল্লি ও মুম্বাইয়ে দাম আরও কম। ভারতের সরকারি ভর্তুকি ব্যবস্থায় দরিদ্রদের প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ রুপি সহায়তা দেয়া হয়।
"দেশটিতে সরকারি সংস্থা এলপিজি বিক্রি করে, তাদের অবকাঠামো সক্ষমতাও বেশি। মূলত পরিবহন ভাড়ার কারণেই অন্য দেশগুলোর চেয়ে দামটা বেশি হচ্ছে।" — **বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ**
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জালাল আহমেদ (বিইআরসি চেয়ারম্যান), সাজ্জাদুর রহমান (চাকরিজীবী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৩ টাকা (প্রতি কেজি), ৮৭ টাকা (কলকাতা), ১ হাজার ৮৩৭ টাকা (নির্ধারিত দাম), ২ হাজার ৩০০-৫০০ টাকা (বাজার দাম), ৮০ শতাংশ (গৃহস্থালি ব্যবহার), ১৫ লাখ টন (বছরানুসারে চাহিদা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!