📌 ঢাকার বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে ২৫০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে ‘১০ম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’। তিন দিনব্যাপী এই মেলায় চামড়া ও পাদুকা শিল্পের সম্ভাবনা ও রপ্তানি সম্ভাবনাকে আলোকিত করছে
বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম পাদুকা উৎপাদক দেশ বাংলাদেশে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে ‘১০ম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি ২৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এই মেলায় চামড়া ও পাদুকা শিল্পের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে শুরু হয়েছে ‘১০ম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’
- 📌 মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৫০টি, যার মধ্যে রয়েছে দেশি-বিদেশি উভয় প্রতিষ্ঠান
- 📌 মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান; সভাপতিত্ব করেন বিটিএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহ
- 📌 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ
- 📌 বাংলাদেশ পাদুকা উৎপাদনে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম স্থান অধিকার করেছে
- 📌 প্রতিবছর ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়, যার বেশিরভাগ রপ্তানি করা হয়
- 📌 দেশে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে
- 📌 চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয় ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেট’স বি) ও লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই তথ্য জানিয়েছে। অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানিয়েছেন, বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দেশে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রক্রিয়াজাত চামড়া, জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি করা হয়। চামড়ার তৈরি বিভিন্ন শৌখিন পণ্যেরও চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন দেশে। দেশের অনেক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য বিশ্ববাজারে পাঠাচ্ছে। চামড়াশিল্পের অবস্থান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তৈরি পোশাকশিল্পের পরেই।
মেলায় আরও জানানো হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তৈরি পোশাকশিল্পের পরই চামড়াশিল্পের অবস্থান। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করার জন্য এই খাতের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের বাজারে পাদুকার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে পাদুকা তৈরির ক্রয়াদেশ পাচ্ছে দেশীয় কোম্পানিগুলো। ফলে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।
"দেশের বাজারে পাদুকার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়াদেশ পাচ্ছে দেশীয় কোম্পানিগুলো। ফলে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, বিটিএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহ, বিসিক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০টি প্রতিষ্ঠান, ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র কারখানা, ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!