📌 জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) চলতি সংসদ অধিবেশনেই পাসের লক্ষ্যে চাপ দিচ্ছে। এলডিসি উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা হারানোর ঝুঁকি কমাতে এই চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশি পোশাক ও জাপানি গাড়ির শুল্ক বাতিল হবে। চীনের প্রভাব কমাতে জাপান বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিচ্ছে
জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) চলতি সংসদ অধিবেশনেই পাসের লক্ষ্যে চাপ দিচ্ছে। এই চুক্তি বাংলাদেশের প্রথম অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা হারানোর ঝুঁকি কমাতে এবং চীনের প্রভাব কমাতে জাপান বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুক্তি পাসের লক্ষ্য: জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) চলতি সংসদ অধিবেশনেই পাসের লক্ষ্যে চাপ দিচ্ছে।
- 📌 বাংলাদেশের প্রথম ইপিএ: বাংলাদেশের প্রথম অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি হিসেবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- 📌 শুল্ক সুবিধা: চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশ থেকে জাপানে রপ্তানি হওয়া পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের ওপর থাকা সব শুল্ক বাতিল হবে।
- 📌 গাড়ির শুল্ক বাতিল: জাপান থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা গাড়ির ইঞ্জিন ও টায়ার ১৫ বছরের মধ্যে শুল্কমুক্ত হবে।
- 📌 চীনের প্রভাব কমাতে: জাপান বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিচ্ছে এবং চীনের একক প্রভাব কমাতে চায়।
- 📌 ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে কার্যকর: আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হবে।
📰 বিস্তারিত
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই চুক্তি পাসের চাপ দিচ্ছে। বাংলাদেশের আগামী মাসের শেষ দিকে এলডিসি তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার কথা রয়েছে। এলডিসি সুবিধা হারানোর পর বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে যাবে। তবে জাপানের সঙ্গে এই অর্থনৈতিক চুক্তি কার্যকর হলে, এলডিসি উত্তরণের পর যেসব নতুন শুল্ক আরোপ হবে, সেগুলোর নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই সামলে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে বাংলাদেশ ও জাপানের পার্লামেন্টে অনুমোদন পাওয়ার পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। জাপান বাংলাদেশকে এই চুক্তির খসড়া তৈরিতে সহায়তা করেছে। তারা শুল্ক কমানোর খাত, সুরক্ষিত পণ্য এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছে।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘চীন সবসময় নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করে অর্থনৈতিক চুক্তি তৈরি করে। জাপান বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিচ্ছে এবং চীনের প্রভাব কমাতে চায়।’ জাপানের আগে থেকে সিপিটিপিপি বা কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স–প্যাসিফিক পার্টনারশিপের মতো বড় বড় অর্থনৈতিক চুক্তি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
"চীন সবসময় নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই বিভিন্ন অর্থনৈতিক চুক্তি তৈরি করবে। জাপান বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করতে ও তাদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোড়ালো করতে চায়, অন্যদিকে এই অঞ্চলে চীনের একক প্রভাব কমিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (গাড়ির শুল্ক বাতিলের সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!