📌 ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বাধা দূর এবং অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম সভায় এই দাবি উত্থাপিত হয়। এলডিসি উত্তরণের পরও শুল্কসুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়
ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বাধা দূর এবং অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম সভায় এই বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল ৮ ও ৯ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশ নিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশি পাটপণ্য ও পেট ফিল্মের অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি** জানিয়েছে বাংলাদেশ।
- 📌 **এলডিসি উত্তরণের পরও ভারতের বাজারে শুল্কসুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব** বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল কর্তৃক উত্থাপিত হয়।
- 📌 **স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি** জানিয়েছে বাংলাদেশ।
- 📌 **বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব** করা হয়।
- 📌 **বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের স্থল কাস্টম স্টেশনগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি** উত্থাপিত হয়।
- 📌 **সিইওস ফোরাম কার্যকর করার প্রস্তাব** বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভারতের বাজারে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ ও অশুল্ক বাধা দূর করার দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশি পাটপণ্য ও পেট ফিল্মের ওপর আরোপিত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের পাশাপাশি, এলডিসি উত্তরণের পরও ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের শুল্কসুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ভারতীয় বাজারে পণ্যের প্রবেশাধিকার সহজতর করার জন্য শুল্ক ও অশুল্ক বাধা নিরসনের পাশাপাশি অন্যান্য বাণিজ্য প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছে। পণ্যের মান নির্ধারণে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠা এবং ভারতের ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) সনদ পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করারও দাবি উত্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক পণ্য পরিবহন বা ট্রানজিট সুবিধা সম্প্রসারণেরও জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে, ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের স্থল কাস্টম স্টেশনগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নের দাবিও উত্থাপন করা হয়। প্রবেশপথ, পার্কিং ইয়ার্ড, গুদাম ও শেডের পাশাপাশি পণ্য পরীক্ষা এবং কোয়ারেন্টিন সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো থেকে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির বাধা নিরসন, বহুমাত্রিক পরিবহনব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং আখাউড়া-আগরতলা রুটের কার্যকারিতা বৃদ্ধির দাবিও উত্থাপন করা হয়।
"ভৌগোলিক নৈকট্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দুই দেশেরই বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তবে এর সুফল পেতে বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করার পাশাপাশি সীমান্তে পণ্য খালাসের সীমাবদ্ধতা নিরসন জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি (ভারত), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়েশা আক্তার (বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬তম (যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা), ১০ সদস্য (বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল), ৮ ও ৯ অক্টোবর (সভার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!