📌 আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তির আলোচনা এগিয়ে নিয়ে বাংলাদেশ। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের আলোচনা চলছে এবং সমস্যা ছাড়াই সহযোগিতা চলছে
বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান আলোচনা কেন্দ্র থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এগিয়ে নিয়ে বাংলাদেশ আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তির আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সময় এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও আইএমএফের নতুন ঋণচুক্তির বেশিরভাগ শর্তে একমত হয়েছে
- 📌 অর্থমন্ত্রী মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের আলোচনা চলছে
- 📌 বিশ্বব্যাংক ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে সমর্থন দিচ্ছে এবং সমস্যা নেই
- 📌 ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান সম্মেলনে ১৯১ দেশের ১৫ হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছে
📰 বিস্তারিত
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ ও আইএমএফের নতুন ঋণচুক্তির বেশিরভাগ শর্তে একমত হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের আলোচনা চলছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে আগামী দিনের সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বিশ্বব্যাংক ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে সমর্থন দিচ্ছে এবং কোনো সমস্যা নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি প্রোগ্রাম তৈরি করবো যা খুবই ভালো হবে’।
এই বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্ব অর্থনীতির নীতি-নির্ধারণী আলোচনা চলছে। এতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, অর্থমন্ত্রী ও উন্নয়ন সহযোগীসহ ১৯১ দেশের ১৫ হাজার প্রতিনিধি। সম্মেলনটি ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
"ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাথে তো আমরা একটা ফ্রেমওয়ার্ক, পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টে যাচ্ছি, ওটা আন্ডার প্রসেস। এর মাধ্যমে আমরা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাথে আগামী দিনে কোঅপারেশনগুলো কী হবে, ওই পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের মধ্যে ওটা থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর, ১৯১ দেশ, ১৫ হাজার প্রতিনিধি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!