📌 মৎস্য অধিদপ্তর ২২ সেপ্টেম্বর ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করে দিলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। আমদানিকারকরা হঠাৎ এই সিদ্ধান্তের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন
মৎস্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের পর থেকে এই আমদানি প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক ২২ সেপ্টেম্বর একটি চিঠি জারি করে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৎস্য অধিদপ্তর ২২ সেপ্টেম্বর ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করে দিয়েছে
- 📌 ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে
- 📌 আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেছেন, সিদ্ধান্তের কারণে আমদানিকারকরা বিপাকে পড়েছেন
- 📌 ইলিশ আমদানিকারক সৈয়েদ মহিদুল হক রুবাই বলেছেন, হঠাৎ আমদানি বন্ধের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মৎস্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের ফলে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইলিশ আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর থেকে একটি চিঠি পেয়েছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনেকগুলো অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কারণে ইলিশ আমদানি বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, আমদানিকারকরা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ইলিশ আমদানিকারক সৈয়েদ মহিদুল হক রুবাই বলেন, হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করার কারণে তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, আমদানির উদ্দেশ্যে ভারতের ওপারে তাদের ক্রয় করা ইলিশ এখন ফেরত দিতে হবে। এছাড়া আমদানি খরচের লোকশানও রয়েছে।
"আমদানির উদ্দেশ্যে ওপারে তাদের ক্রয় করা ইলিশ রাখা ছিল। এখন কম দামে তা ফেরত দিতে হবে। এছাড়া আমদানি খরচের লোকশান রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. খালেদ কনক, জিয়াউর রহমান জিয়া, সৈয়েদ মহিদুল হক রুবাই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৩টি অনাপত্তি সনদ, ২২ সেপ্টেম্বর, ২৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!