📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৪.৯৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, সরকারি খাতের ঋণ বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৪.৯৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, সরকারি খাতের ঋণ বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ১১৪.৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে সরকারি খাতের ঋণ ৪১৯ কোটি ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে বেসরকারি খাতের ঋণ হ্রাস পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ সর্বাধিক ৮৭.৫২ শতাংশ।

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ১১৪.৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই পরিমাণ আগের তিন মাসের তুলনায় ৩.৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৫.১০ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের প্রান্তিকে তুলনায় ৪১৯ কোটি ডলার বেশি। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ১৪ কোটি ডলার কমে ১৯.৮৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১৪.৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে
  • 📌 সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৯৫.১০ বিলিয়ন ডলার (পূর্ববর্তী ৯০.৯১ বিলিয়ন ডলার থেকে)
  • 📌 বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ কমে ১৯.৮৮ বিলিয়ন ডলারে (পূর্ববর্তী ২০.০২ বিলিয়ন ডলার থেকে)
  • 📌 দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৮৭.৫২ শতাংশ (১০০.৬৪ বিলিয়ন ডলার) এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণ ১৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার
  • 📌 বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণ ৪৮.৯৬ বিলিয়ন ডলার, দ্বিপক্ষীয় ঋণ ৩২.৫৪ বিলিয়ন ডলার, বাণিজ্যিক ঋণ ১০.৬০ বিলিয়ন ডলার

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ৮৭.৫২ শতাংশ দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ছিল। এই ঋণের পরিমাণ ১০০.৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার। ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮.৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণের পরিমাণ ৩২.৫৪ বিলিয়ন ডলার, বাণিজ্যিক ঋণ ১০.৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ ছিল প্রায় ৫.৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ হ্রাসের কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্লেখ করেছে স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ এবং বাণিজ্যঋণের কমে যাওয়া। গত মার্চের শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ছিল প্রায় ২০.০২ বিলিয়ন ডলার, যা জুনের শেষে ১৯.৮৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

"গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার। তবে বেসরকারি খাতের ঋণ হ্রাস পেয়েছে, যা অর্থনীতিতে কিছুটা নিরাপত্তা প্রদান করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক (অনুমানিক তথ্য প্রদানকারী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪.৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (মোট বৈদেশিক ঋণ), ৯৫.১০ বিলিয়ন ডলার (সরকারি খাতের ঋণ), ১৯.৮৮ বিলিয়ন ডলার (বেসরকারি খাতের ঋণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖