📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) চার বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হলেও সেপ্টেম্বরে রপ্তানি ৩৯৪ কোটি ডলারে নেমে গেলেও গত বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি। একই মাসে প্রবাসী আয় ২৭৭ কোটি ডলারে দাঁড়ায়, যা ৩ শতাংশ বৃদ্ধি। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইপিবি জানায়, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই দুটি উৎস থেকে মোট ৬৭১ কোটি ডলার আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে
চলতি অর্থবছরের (২০২৬–২৭) প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) চার বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য রপ্তানি হলেও সেপ্টেম্বর মাসে এই সংখ্যা ৩৯৪ কোটি ডলারে নেমে আসলেও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে। একই সময়ে প্রবাসী আয় ২৭৭ কোটি ডলারে দাঁড়ায়, যা গত বছরের তুলনায় ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই দুটি উৎস থেকে মোট ৬৭১ কোটি মার্কিন ডলারের সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি ৩৯৪ কোটি ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি
- 📌 একই মাসে প্রবাসী আয় ২৭৭ কোটি ডলারে, যা ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দুটি উৎস থেকে মোট ৬৭১ কোটি ডলারের সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 তৈরি পোশাক, চামড়া, পাট ও হোমটেক্সটাইল খাতের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি কমেছে
- 📌 গ্যাস-বিদ্যুত সংকটের মধ্যেও রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় থাকায় উদ্যোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইপিবির তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি খাতের মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং হোমটেক্সটাইল খাতের রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। তবে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি ২১.৭০ শতাংশ কমেছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের মধ্যেও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে খরচ বাড়লেও রপ্তানি সম্ভব হয়েছে।
গত মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩০৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮.৮৬ শতাংশ বেশি। নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আগামী দুই-তিন মাস আমাদের ভরা মৌসুম। সে হিসাবে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করছি।’
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি ১১ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি ২২.৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৭ কোটি ৯৭ লাখ ডলারে কমেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২১.৭০ শতাংশ কম। হোমটেক্সটাইল পণ্যের রপ্তানি ৭ কোটি ৬৭ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় সাড়ে ১৩ শতাংশ বেশি।
প্রবাসী আয় সম্পর্কে ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা এবং ডলারের আনুষ্ঠানিক দর স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় কিছুটা কমলেও সামগ্রিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল ও রিজার্ভ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখছে।
"আগামী দুই-তিন মাস আমাদের ভরা মৌসুম। সে হিসাবে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলে শামীম এহসান (বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯৪ কোটি ডলার (সেপ্টেম্বর মাসের রপ্তানি), ২৭৭ কোটি ডলার (প্রবাসী আয়), ৬৭১ কোটি ডলার (মোট সম্ভাব্য বৈদেশিক মুদ্রা আয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!