📌 বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস নিয়ে চিন্তিত নয়। তারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে একমত হয়েছে। আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.২% এবং মূল্যস্ফীতি ১১% হতে পারে
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের নিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস নিয়ে সরকার চিন্তিত নয় এবং তারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথে সম্পূর্ণ একমত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ব্যাংককে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আইএমএফের পূর্বাভাস নিয়ে সরকার চিন্তিত নয় এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ
- 📌 বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে একমত হয়েছে
- 📌 আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.২ শতাংশে নেমে আসতে পারে
- 📌 মূল্যস্ফীতি হতে পারে ১১ শতাংশ, জ্বালানি তেলের দাম ৪১ শতাংশ এবং গ্যাসের দাম ৪৮ শতাংশ বাড়তে পারে
- 📌 অর্থমন্ত্রী উর্জিত প্যাটেল (আইএমএফের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক) ও আনা রিয়ার্ড (বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক) এর সঙ্গে আলোচনা করেছেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ব্যাংককে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের নিশ্চয়তা রয়েছে। তিনি বলেন, আইএমএফের পূর্বাভাস নিয়ে সরকার চিন্তিত নয় এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথ, নীতি এবং সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত হয়েছে।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। অর্থমন্ত্রী জানান, বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গেও এসব বিষয় পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, কীভাবে সমস্যাগুলোর সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩.২ শতাংশে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি হতে পারে ১১ শতাংশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে এ পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে খাদ্য ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে আইএমএফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর জ্বালানি তেলের দাম ৪১ শতাংশ এবং গ্যাসের দাম ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। জ্বালানি আমদানিনির্ভর হওয়ায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, পরিবহন ও কৃষি খাতে ব্যয় বাড়বে। জ্বালানির দাম দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকলে আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সকালে আইএমএফের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক উর্জিত প্যাটেলের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনা রিয়ার্ডের সঙ্গেও বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।
"আইএমএফের পূর্বাভাস নিয়ে সরকার চিন্তিত নয়। বিশ্বব্যাংক ও আমরা মিলে আমাদের অর্থনৈতিক গতিপথ, নীতি এবং সিদ্ধান্তের বিষয়ে একমত হয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, উর্জিত প্যাটেল (আইএমএফ), আনা রিয়ার্ড (বিশ্বব্যাংক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩.২%, ১১%, ৪১%, ৪৮%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!