📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে খুচরা টাকার সংকট: নতুন নোটের ঘাটতি ও পুরোনো নোটের বাজার দূষণ

বাংলাদেশে খুচরা টাকার সংকট: নতুন নোটের ঘাটতি ও পুরোনো নোটের বাজার দূষণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে নতুন টাকার সরবরাহে ঘাটতি ও পুরোনো নোটের বাজার দূষণ দৈনন্দিন লেনদেনে বড় সমস্যা সৃষ্টি করছে। ব্যাংক থেকে টাকা তুলেও খুচরা নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, এটিএম থেকে ২০ হাজার টাকা তুললেও ৫০০ টাকার নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। নতুন নোট ছাপাতে ব্যয় বেড়েছে ৯৫%

বাংলাদেশে নতুন টাকার সরবরাহে বড় আকারের ঘাটতি এবং পুরোনো নোটের বাজারে দূষণের কারণে দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংক থেকে টাকা তুলেও খুচরা নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই এবং এটিএম বুথে ২০ হাজার টাকা তুললেও ৫০০ টাকার নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এদিকে বাজারে ঘুরছে পুরোনো, ছেঁড়া-ফাটা ও নোংরা নোট, যা ব্যাংক ও মেট্রোরেলের টিকিট কাটার মেশিনে বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **খুচরা নোটের সংকট**: ১০০, ২০ ও ১০ টাকার নোটের অভাব সবচেয়ে বেশি, ব্যাংক থেকে টাকা তুলেও খুচরা নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।
  • 📌 **এটিএম বুথে নোটের অসামঞ্জস্য**: ২০ হাজার টাকা তুললেও ৫০০ টাকার নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, কোনো কোনো বুথে ১৯টি ১০০০ টাকার নোটের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে মাত্র দুটি ৫০০ টাকার নোট।
  • 📌 **পুরোনো নোটের বাজার দূষণ**: ৫০০-১০০০ টাকার নোটে স্ট্যাপলারের ফুটো, স্কচটেপ মারা, ছেঁড়া অংশ ও ময়লা দেখা যাচ্ছে।
  • 📌 **ব্যাংক ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনে নোট বাতিল**: মেট্রোরেলের টিকিট কাটার মেশিন ও ব্যাংকের ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনে পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত নোট বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
  • 📌 **ব্যাংক থেকে নোট বাতিল**: মগবাজারে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি সিআরএমে ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে গিয়ে মো. আলী আহম্মদের ১৫টি নোট বাতিল হয়।
  • 📌 **নতুন নোট ছাপাতে ব্যয় বেড়েছে ৯৫%**: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন টাকা ছাপাতে ব্যয় হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২২৪ কোটি টাকা বা ৯৫.৪৬% বেশি।
  • 📌 **কাঁচামালের ঘাটতি ও ডিজিটাল লেনদেনের প্রস্তাব**: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেছেন, ২০ ও ৫০ টাকার নোটের কাঁচামাল সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তার বাড়লে নগদ টাকার চাহিদা কমবে।
  • 📌 **ব্যবসায়ীদের সমস্যা**: ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১০০, ২০ ও ১০ টাকার নোট হাতে না থাকলে ছোটখাটো কেনাকাটার টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত নতুন নোট ছাড়ছে, কিন্তু বাজারে সরবরাহের তুলনায় ঘাটতি রয়েছে। বিশেষত খুচরা নোটের সংকট দৈনন্দিন লেনদেনে বড় সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ব্যাংক থেকে টাকা তুলেও অনেক সময় খুচরা নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এটিএম বুথে ভোগান্তি আরও বেশি। ২০ হাজার টাকা তুললেও ৫০০ টাকার নোট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। কোনো কোনো বুথে ১৯টি ১০০০ টাকার নোটের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে মাত্র দুটি ৫০০ টাকার নোট। ফলে টাকা হাতে নিয়েও খুচরা ভাঙাতে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ছুটতে হচ্ছে।

বাজারে যে নোট ঘুরছে, তার বড় অংশ পুরোনো, ছেঁড়া-ফাটা, ফুটো ও নোংরা। ৫০০-১০০০ টাকার নোটেও স্ট্যাপলারের বড় ফুটো, স্কচটেপ মারা, ছেঁড়া অংশ ও ময়লা দেখা যাচ্ছে। অনেক দোকানি এসব নোট নিতে চান না। মেট্রোরেলের টিকিট কাটার মেশিন কিংবা ব্যাংকের ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনেও পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত নোট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ফলে এক হাতে পাওয়া টাকা অন্য হাতে দেওয়ার সময় নতুন ঝামেলা তৈরি হচ্ছে।

মগবাজারে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি সিআরএমে সম্প্রতি ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে গিয়ে মো. আলী আহম্মদের ১৫টি নোট বাতিল হয়। তিনি বলেন, পাশের ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছেন; কিন্তু মেশিন টাকা নেয়নি। অথচ বাবার চিকিৎসার জন্য সেদিনই বাড়িতে টাকা পাঠানোর প্রয়োজন ছিল। শুধু গ্রাহক নন, ব্যবসায়ীরাও একই সমস্যার কথা বলছেন। তাঁদের ভাষায়, ১০০, ২০ ও ১০ টাকার নোট হাতে না থাকলে ছোটখাটো কেনাকাটার টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ব্যাংক থেকেও এখন অনেক ক্ষেত্রে খুচরা নোট চাওয়া অনুযায়ী পাওয়া যায় না। ফলে দোকানিদের খুচরা টাকা জোগাড় করা আলাদা কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নতুন নোট ছাপাতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাগজ, বিশেষ কালি, নিরাপত্তা সুতা ও বিভিন্ন রাসায়নিকের প্রায় পুরোটা বিদেশ থেকে আনতে হয়। কাঁচামাল দেশে আসার পরও নোট ছাপাতে প্রায় তিন মাস সময় লাগে। সীমিত সক্ষমতার কারণে টাঁকশালেও একসঙ্গে চাহিদামতো নোট ছাপানো সম্ভব হয় না। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর কাঁচামাল, পরিবহন ও ডলারের দাম বাড়ায় এই ব্যয় আরও বেড়েছে।

"১০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। তবে ২০ ও ৫০ টাকার নোটের কাঁচামাল সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। নোট ছাপানোর খরচও বেড়েছে। সর্বত্র ডিজিটাল লেনদেন চালুই হতে পারে এর কার্যকর সমাধান। তাই বাংলা কিউআর ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।"

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, নতুন ও ভালো মানের নোট এবং খুচরা টাকার সরবরাহ একসঙ্গে স্বাভাবিক না হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে না। তিনি বলেন, দেশে এখনো দৈনন্দিন কেনাকাটা ও ছোট লেনদেনে নগদের ওপর নির্ভরতা বেশি। এ পরিস্থিতিতে নতুন ও ভালো মানের নোট এবং খুচরা টাকার সরবরাহ একসঙ্গে স্বাভাবিক না হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে না বলে মনে করেন ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মগবাজার, ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলী আহম্মদ, আরিফ হোসেন খান, ব্যবসায়ীরা, ক্রেতারা, দোকানিদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা (নতুন নোট ছাপাতে ব্যয়), ২২৪ কোটি টাকা (ব্যয় বৃদ্ধি), ৯৫.৪৬% (ব্যয় বৃদ্ধির হার), ১৫টি নোট (বাতিল), ১৯টি ১০০০ টাকার নোট, ২টি ৫০০ টাকার নোট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖