📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো শর্ত শিথিল ও ২ শতাংশ নগদ জমা দেওয়ার বিধান প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। মাত্র ৫০ কোটি টাকা বিতরণের পরেও ঋণ বিতরণে গতি না থাকায় উদ্যোক্তারা ব্যাংকের সাথে বৈঠকে এই দাবি তুলে ধরেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলে দীর্ঘসূত্রতা ও জটিলতার অভিযোগে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো শর্ত শিথিলকরণ ও নগদ জমা দেওয়ার বিধান প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, বন্ধ কারখানা চালু করতে ঋণ পেতে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা আয়োজন, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া এবং দীর্ঘ সময় লাগার কারণে অর্থ ছাড়ে গতি না পাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলে** মাত্র **৫০ কোটি টাকা** বিতরণ হয়েছে, বাকি অর্থ বিতরণে দীর্ঘসূত্রতা চলছে
- 📌 **ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো** শর্ত শিথিলকরণ ও **২ শতাংশ নগদ জমা** দেওয়ার বিধান প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে
- 📌 **বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিসিএ, বিইএফ, বিজেএ ও এমসিসিআই** সহ ৭টি প্রধান ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি অংশ নেন বৈঠকে
- 📌 **ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায়** আবেদন নিষ্পত্তিতে **এক মাস পর্যন্ত সময়** লাগছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বাধা সৃষ্টি করছে
- 📌 **৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলে** সর্বোচ্চ **৭ শতাংশ সুদে** ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও, **২৫ লাখ কর্মসংস্থান** সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বিলম্ব দেখা দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের বৈঠকে ব্যবসায়ীরা দাবি জানান, বন্ধ কারখানা চালু করতে ঋণ পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, পরিচালনা পর্ষদের সভা আয়োজন, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া এবং ঋণের আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে অর্থ ছাড়ে গতি না পাচ্ছে। বৈঠকে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ চেম্বার অব অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ), বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএ) ও মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)-এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর **মো. কবির আহাম্মদ** ও **মো. সরোয়ার হোসেনসহ** সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তাদের দ্রুত সহায়তা দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রণোদনা কর্মসূচির নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সংশ্লিষ্ট সবার যৌথ দায়িত্ব।
বিকেএমইএর সভাপতি **মোহাম্মদ হাতেম** সাংবাদিকদের বলেন, “২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে সুবিধা নিতে ব্যবসায়ীরা আগ্রহী হলেও বিভিন্ন ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে অনেকে আবেদন করতে পারছেন না। অনেক ব্যাংক আবেদন নিতে চাইছে না। আবার কেউ কেউ নানা অজুহাতে উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করছে।” তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিপত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে, যা দ্রুত দূর করে জমা পড়া আবেদনগুলো নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।
"প্রণোদনা কর্মসূচির নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা সংশ্লিষ্ট সবার যৌথ দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত সহায়তা পান, সে জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ হাতেম (বিকেএমইএ সভাপতি), মো. কবির আহাম্মদ (ডেপুটি গভর্নর), মো. সরোয়ার হোসেন (বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার কোটি টাকা (প্রণোদনা তহবিল), ৫০ কোটি টাকা (বিতরণকৃত), ২ শতাংশ (নগদ জমা), ৬২ হাজার কোটি টাকা (মোট তহবিল), ৭ শতাংশ (সুদ), ২৫ লাখ (কর্মসংস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!