📌 বাংলাদেশ বিমান ৩৫টি নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনা নিয়ে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছে প্রাক্তন পরিচালনা পরিষদ সদস্য। বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে কেনা এই বিমানগুলো আগামী ১০-১২ বছরে বহরে যুক্ত হবে, কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে
বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশন ৩৫টি নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনা নিয়ে বর্তমানে আলোচিত। বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে কেনা এই বিমানগুলো আগামী ১০ থেকে ১২ বছরে বিমানের বহরে যুক্ত হবে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকেই। প্রাক্তন পরিচালনা পরিষদ সদস্য ও পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী একজন ব্যক্তি এই বিষয়ে তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগ করে বলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩৫টি বিমান কেনার পরিকল্পনা: বোয়িং থেকে ১৫টি, পরবর্তীতে আরও ১০টি এবং এয়ারবাস থেকে ১০টি বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ: বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
- 📌 বহরের আকার: আগামী ১০-১২ বছরে বিমান বহরে যুক্ত হওয়া এই ৩৫টি বিমানেও বাংলাদেশ বিমান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি ছোট বিমান পরিবহন সংস্থা হিসেবে থাকবে।
- 📌 বাংলাদেশ বিমানের ইতিহাস: ২০০৭ সালে কর্পোরেটাইজেশনের সময় পরিচালনা পরিষদে সদস্য ছিলেন একজন ব্যক্তি, যিনি ১০০ টাকার শেয়ার কিনে শেয়ারহোল্ডার হয়েছিলেন।
- 📌 বোয়িং বিমানের ইতিহাস: ২০০৭ সালে বোয়িং থেকে ১০টি বিমান কেনা হয়, পরবর্তী ১৭ বছরে আর ৬টি বিমান যুক্ত হয়। এছাড়াও ৫টি ছোট ড্যাশ বিমান রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ বিমান কর্পোরেশন ২০০৭ সালে কর্পোরেটাইজেশনের সময় পরিচালনা পরিষদ গঠিত হয়। সেই সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার ছিলেন চেয়ারম্যান। পরিচালনা পরিষদে একজন সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি বলেছেন, তিনি ও অন্যান্য সদস্যরা ১০০ টাকার শেয়ার কিনে বিমানের শেয়ারহোল্ডার হয়েছিলেন। মোট শেয়ারের মূল্য ছিল ৭০০ টাকা। সেই সময় বিমান বোয়িং থেকে ১০টি বিমান কেনে। পরবর্তীকালে মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, যিনি পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন, বিমানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
২০০৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশ বিমান বোয়িং থেকে আরো ৬টি বিমান কেনেছে। এছাড়াও ৫টি ছোট ড্যাশ বিমান রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বাংলাদেশ বিমান একটি ছোট বিমান পরিবহন সংস্থা। বর্তমানে তাদের বহরে রয়েছে ১০টি ওয়াইড বডি এবং ৬টি ন্যারো বডি বোয়িং বিমান। এছাড়াও ৫টি ছোট ড্যাশ বিমান রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ বিমানের বহর খুবই ছোট। উদাহরণস্বরূপ, আফ্রিকার ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের বহরে রয়েছে ১৫০টি বিমান, এয়ার আলজেরিয়ার বহরে ৬৬টি এবং কেনিয়া এয়ারওয়েজের বহরে ৩৫টি বিমান রয়েছে। তিউনিস এয়ারের বহরে রয়েছে ৩০টি বিমান। যদি আগামী ১০ থেকে ১২ বছরে ৩৫টি নতুন বিমান যুক্ত হয়, তবুও বাংলাদেশ বিমান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি ছোট প্রতিষ্ঠানই থেকে যাবে।
"বাংলাদেশ বিমান নিয়ে আমার একটু বেশি আগ্রহের কারণ খানিকটা এই যে ২০০৭ সালে বিমান কর্পোরেটাইজ করার সময়, প্রথম যে পরিচালনা পরিষদ নিয়োগ করা হয়, পররাষ্ট্রসচিব হওয়ার সুবাদে সেই পরিষদে আমি ছিলাম একজন সদস্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, আফ্রিকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাক্তন পরিচালনা পরিষদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি বিমান, ১০০ টাকা (শেয়ার মূল্য), ৭০০ টাকা (মোট শেয়ার মূল্য), ১০টি ওয়াইড বডি, ৬টি ন্যারো বডি, ৫টি ড্যাশ বিমান, ১৫০টি (ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস), ৬৬টি (এয়ার আলজেরিয়া), ৩৫টি (কেনিয়া এয়ারওয়েজ), ৩০টি (তিউনিস এয়ার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!